আইনজীবী হলেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শিক্ষার্থী
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের চার ব্যাচ থেকে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হন তারা। গত রোববার (১৫ মার্চ) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে এবার আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর এবং চলতি বছরের ১৩ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত ভাইভা পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণরা বাংলাদেশে আইন পেশায় অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীন যে কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আইন পেশা শুরু করার জন্য তাদ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের চার ব্যাচ থেকে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হন তারা।
গত রোববার (১৫ মার্চ) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে এবার আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর এবং চলতি বছরের ১৩ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত ভাইভা পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণরা বাংলাদেশে আইন পেশায় অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীন যে কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আইন পেশা শুরু করার জন্য তাদের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।
তালিকাভুক্ত হওয়া আইনজীবী তরিকুল কবির অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া এবং পরিবার ও শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আইন পেশাকে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।
আইন ও বিচার বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান (নিউটন) বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দিত৷ যারা এতো অল্প সময়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে সকলের সার্বিক সফলতা কামনা করছি। এবং এই সংখ্যাটা যেন আরো বাড়ে সেই প্রত্যাশা করছি। ইতোমধ্যে, আমাদের বিভাগের তিনজন সাবেক শিক্ষার্থী সহকারী জজ হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও আরও অনেকে বিভিন্ন প্রাইভেট-পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংকসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। সবার সাফল্য কামনা করছি।
What's Your Reaction?