আওয়ামী লীগ দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘২০০৯ সালের পর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে এটিকে ‘মাফিয়া অর্থনীতিতে’ পরিণত করেছিল। ব্যাংকিং খাতকে পরিকল্পিতভাবে লুট করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। এর ফলে কিছু ব্যক্তি অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছে।’ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেল শেরাটনে বিএনপির আয়োজনে ‘পলিসি ডিসেমিনেশন অন প্রায়োরিটি সোশ্যাল পলিসিস’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অংশ নেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৫ বছরের তথাকথিত উন্নয়ন ছিল জবাবদিহিহীনতা ও দুর্নীতিতে ভরা। নির্বাচন ব্যবস্থাকে নজিরবিহীন কারচুপির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ভোটাররা কার্যত অনুপস্থিত ছিল। এ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের দিকে নিয়ে যায়, যা নতুন আশা ও নতুন সুযোগের সৃষ্টি করেছে।’ তিনি বলেন, ‘দেশের ভেতরে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান ও অর্থবহ বিনিয়োগ ছিল না। স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে বিএনপি জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করে আসছে এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্য
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘২০০৯ সালের পর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে এটিকে ‘মাফিয়া অর্থনীতিতে’ পরিণত করেছিল। ব্যাংকিং খাতকে পরিকল্পিতভাবে লুট করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। এর ফলে কিছু ব্যক্তি অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছে।’
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেল শেরাটনে বিএনপির আয়োজনে ‘পলিসি ডিসেমিনেশন অন প্রায়োরিটি সোশ্যাল পলিসিস’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৫ বছরের তথাকথিত উন্নয়ন ছিল জবাবদিহিহীনতা ও দুর্নীতিতে ভরা। নির্বাচন ব্যবস্থাকে নজিরবিহীন কারচুপির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ভোটাররা কার্যত অনুপস্থিত ছিল। এ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের দিকে নিয়ে যায়, যা নতুন আশা ও নতুন সুযোগের সৃষ্টি করেছে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের ভেতরে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান ও অর্থবহ বিনিয়োগ ছিল না। স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে বিএনপি জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করে আসছে এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে এগিয়ে গেছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো বড় হলেও বিএনপি এমন নীতিমালা প্রণয়নে কাজ করছে, যা বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সুশীল ও টেকসই পথে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে। এ নীতিমালার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের পথ প্রশস্ত হবে এবং নিম্নআয়ের মানুষ উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে। অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের ধারণার আওতায় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নতুন যুগের সূচনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও প্রবৃদ্ধিমুখী। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে গড়ে উঠবে সমাজ, যেখানে সব সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকবে মানুষ। দলীয় প্রধানের প্রস্তাবিত কর্মসূচির মাধ্যমে দূরদর্শী নেতৃত্বে নতুন ধারণা, প্রযুক্তি ও সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি রয়েছে।’
সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, মাহদী আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদ, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব (পররাষ্ট্র) হুমায়ুন কবির, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. সাহাব এনাম খাঁন উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ/আরএইচ
What's Your Reaction?