আখাউড়ায় সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান পারুল বেগম আর নেই

৪নং আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি, টানা প্রায় ৩০ বছর মহিলা সদস্য (মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এবং সাবেক ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান জনাবা পারুল বেগম আর নেই। শনিবার (০৬ জুন ২০২৬) দুপুর ২টা ৩০ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মরহুমার জানাজার নামাজ আজ রাত ৯টায় রামধননগর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। পারুল বেগম ১৯৯৬ সাল থেকে টানা জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি এলাকার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সাধারণ মানুষের সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নিতেন এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা রাখতেন। ব্যক্তিগত জীবনেও পারুল বেগম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, পরিশ্রমী ও মানবিক একজন মানুষ। নিজের কাজ নিজেই করতেন এবং সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি কখনো কারও সঙ্গে দুর্ব্যবহার ক

আখাউড়ায় সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান পারুল বেগম আর নেই

৪নং আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি, টানা প্রায় ৩০ বছর মহিলা সদস্য (মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এবং সাবেক ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান জনাবা পারুল বেগম আর নেই।

শনিবার (০৬ জুন ২০২৬) দুপুর ২টা ৩০ ঘটিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মরহুমার জানাজার নামাজ আজ রাত ৯টায় রামধননগর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

পারুল বেগম ১৯৯৬ সাল থেকে টানা জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি এলাকার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সাধারণ মানুষের সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নিতেন এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা রাখতেন।

ব্যক্তিগত জীবনেও পারুল বেগম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, পরিশ্রমী ও মানবিক একজন মানুষ। নিজের কাজ নিজেই করতেন এবং সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি কখনো কারও সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেননি; বরং সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একজন আদর্শ জনপ্রতিনিধির পরিচয় দিয়েছেন।

মেম্বারের আন্তরিকতা, সৌজন্যবোধ এবং জনসেবার মানসিকতা মানুষের হৃদয়ে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, নারী নেতৃত্বের বিকাশ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পারুল বেগম ছিলেন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর মৃত্যুতে আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন। আমিন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow