আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি থানাধীন আমবাগ এলাকায় শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসতঘর পুড়ে গেছে। আগুনে ঘরগুলোতে থাকা আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবানসামগ্রী ভস্মীভূত হয়েছে। এতে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ভোরে আমবাগ মেম্বার মোড় এলাকায় চান মিয়ার মালিকানাধীন একটি বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির একটি কক্ষ থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই তা পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোনাবাড়ি মডার্ন ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নেভানোর আগেই বাড়ির ১১টি কক্ষ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
কোনাবাড়ি মডার্ন ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের কারণ হিসেবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটকে দায়ী করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই বাড়ির প্রতিটি ঘরে আলাদা পরিবার বসবাস করত। আগুনে মোট ১১টি ঘর পুড়ে গেছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি থানাধীন আমবাগ এলাকায় শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসতঘর পুড়ে গেছে। আগুনে ঘরগুলোতে থাকা আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবানসামগ্রী ভস্মীভূত হয়েছে। এতে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ভোরে আমবাগ মেম্বার মোড় এলাকায় চান মিয়ার মালিকানাধীন একটি বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির একটি কক্ষ থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই তা পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোনাবাড়ি মডার্ন ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নেভানোর আগেই বাড়ির ১১টি কক্ষ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
কোনাবাড়ি মডার্ন ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের কারণ হিসেবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটকে দায়ী করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই বাড়ির প্রতিটি ঘরে আলাদা পরিবার বসবাস করত। আগুনে মোট ১১টি ঘর পুড়ে গেছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত সরকারি ও প্রশাসনিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।