আজ দেখছি, কত মানুষ এই পরাজয়ের অপেক্ষায় ছিল: ডি পল

স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের একদিনের বেশি সময় পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছেন রদ্রিগো ডি পল। সেখানে তিনি ‘আলবিসেলেস্তেদের পতনের অপেক্ষায় থাকা’ মানুষদের উদ্দেশ্যে কড়া মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে না পারার কষ্টও প্রকাশ করেছেন তিনি। তার দাবি, বিশ্বকাপজুড়ে ষড়যন্ত্রের অবাস্তব গল্প ছড়িয়ে অনেকে কষ্ট কমানোর চেষ্টা করেছে। বিশ্বকাপ জিততে না পারার হতাশা প্রকাশ করে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের এই মিডফিল্ডার নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কষ্টটা এই কারণে যে, আমরা আবারও আমাদের দেশে বিশ্বকাপ ট্রফিটা নিয়ে যেতে পারলাম না। কারণ সেই অনুভূতিটি (বিশ্বকাপ জয়ের) যদি আবার কারোর পাওয়ার যোগ্যতা থেকে থাকে, তবে সেটি ছিলেন আপনারা (সমর্থকরা)।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু সময় পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এই উপলব্ধি হচ্ছে, এই দলটার সঙ্গে আপনাদের যে আত্মিক টান, তা কেবল একটা ট্রফির ওপর নির্ভর করে না। আর এই কঠিন সময়টা পার করার জন্য আমি এই সত্যটাকেই মনে-প্রাণে আঁকড়ে ধরতে চাই।’ https://www.instagram.com/p/DbB8i4aD2k0/?igsh=bXZyazAz

আজ দেখছি, কত মানুষ এই পরাজয়ের অপেক্ষায় ছিল: ডি পল

স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের একদিনের বেশি সময় পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছেন রদ্রিগো ডি পল। সেখানে তিনি ‘আলবিসেলেস্তেদের পতনের অপেক্ষায় থাকা’ মানুষদের উদ্দেশ্যে কড়া মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে না পারার কষ্টও প্রকাশ করেছেন তিনি। তার দাবি, বিশ্বকাপজুড়ে ষড়যন্ত্রের অবাস্তব গল্প ছড়িয়ে অনেকে কষ্ট কমানোর চেষ্টা করেছে।

বিশ্বকাপ জিততে না পারার হতাশা প্রকাশ করে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের এই মিডফিল্ডার নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কষ্টটা এই কারণে যে, আমরা আবারও আমাদের দেশে বিশ্বকাপ ট্রফিটা নিয়ে যেতে পারলাম না। কারণ সেই অনুভূতিটি (বিশ্বকাপ জয়ের) যদি আবার কারোর পাওয়ার যোগ্যতা থেকে থাকে, তবে সেটি ছিলেন আপনারা (সমর্থকরা)।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু সময় পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এই উপলব্ধি হচ্ছে, এই দলটার সঙ্গে আপনাদের যে আত্মিক টান, তা কেবল একটা ট্রফির ওপর নির্ভর করে না। আর এই কঠিন সময়টা পার করার জন্য আমি এই সত্যটাকেই মনে-প্রাণে আঁকড়ে ধরতে চাই।’

https://www.instagram.com/p/DbB8i4aD2k0/?igsh=bXZyazAzeTU5Z3Jl&fbclid=IwY2xjawTL_9xleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFHUkNTVVV3dUd3RVQ4dzhac3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHoRmQ1LOaGNBDbVBcidxYpI0_B27t-ASj-qlcMVZITersmm8UYYNdFIgY9hE_aem_ThoZZ4Srch9wFuGkNnjIdw&img_index=1

বিশ্বকাপজুড়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার বলেন, ‘আজ আমি দেখছি, কত মানুষ এই পরাজয়ের অপেক্ষায় ছিল। যারা পুরো বিশ্বকাপজুড়ে অবাস্তব সব ষড়যন্ত্রের গল্প তৈরি করছিল; মূলত তারা অন্যদের কষ্টকে কমানোর চেষ্টা করেছে। কারণ তারা সেই অনুভূতি অনুভব করতে পারেনি, যেটা আমরা সব আর্জেন্টাইনরা করছিলাম।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘কারণ আমাদের হাসি তাদের বুকে লাগে, আমাদের আনন্দ উদযাপন তাদের কষ্ট দেয়। কিন্তু এসব কিছুই শুধু আরও একবার প্রমাণ করেছে—আমাদের জার্সির প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা সবকিছুকে জয় করতে পারে।’

শেষে মেসি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘এই কষ্ট আমাকে অনেক দিন তাড়িয়ে বেড়াবে। কিন্তু আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি আমি আর্জেন্টাইন হতে পেরে গর্বিত।’

আবেগঘন এই বার্তার সঙ্গে তিনটি ছবি প্রকাশ করেছেন দে পল। প্রথম ছবিতে দেখা যায়, তার পিঠের দিক থেকে তোলা একটি ছবি—গলায় রানার্সআপের পদক ঝুলছে এবং সামনে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা দর্শকে ভরা গ্যালারি।

দ্বিতীয় ছবিতে কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর সমর্থকদের সঙ্গে পুরো দলের উদযাপনের দৃশ্য রয়েছে। তৃতীয় ছবিতে দেখা যায়, বিশ্বকাপে লিওনেল স্কালোনির দলের করা ১৯ গোলের একটির পর কয়েকজন খেলোয়াড় একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উদযাপন করছেন।

জাতীয় দলের হয়ে ৯৪ ম্যাচ খেলা রদ্রিগো দে পল স্কালোনি যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আর্জেন্টিনা ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল সময়গুলোর একটি এই অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন তিনি। দে পল ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালের ফিনালিসিমা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

৩২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার আলবিসেলেস্তে জার্সিতে প্রথম বড় হতাশাজনক হারের মুখোমুখি হলেন। ভবিষ্যতে তিনি আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের অন্যতম নেতা হতে পারেন। সেই দলে নিকোলাস ওতামেন্দি থাকবেন না এবং ধারণা করা হচ্ছে, লিওনেল মেসিও থাকবেন না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow