আজীবন ফুটবল বিশ্বকাপে দেখা যাবে নিউজিল্যান্ডকে!

শিরোনাম দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খেতেই পারে, যেখানে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার আগে বাছাইপর্ব খেলতে হয় সেখানে কীভাবে আজীবন একটা দেশ বিশ্বকাপে খেলবেই এমন নিশ্চয়তা দিচ্ছে? মূলত বিশ্বকাপের বর্তমান বাছাইপর্বই নিউজিল্যান্ডকে আজীবন বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র দিচ্ছে। ২০২২ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘গ্রেটেস শো অন দ্যা আর্থ’-এ অংশ নিতো ৪৮টি দল। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকেই অংশ নিচ্ছে ৪৮ দল। প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে বাছাইপর্বের শীর্ষ স্থান দখল করে সরাসরি অংশ নেয় নিউজিল্যান্ড। ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে ১টি দল সরাসরি অংশ নিবে বিশ্বকাপে। ২০০৬ সাল থেকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বড় রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া এশিয়ান অঞ্চলে বাছাইপর্ব খেলে বিধায় নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াটা এক প্রকার নিশ্চিতই বলা চলে তাদের আধিপত্যের কারণে। ওশেনিয়া অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিউজিল্যান্ড সর্বশেষ ম্যাচ হেরেছিল ২০০৮ সালে ফিজির বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে। তারপর ৩১টি বাছাইপর্বের ম্যাচে ২৮টিতেই জয়লাভ করে টিম পেইনের নিউজিল্যান্ড যেখানে ড্র ছিল তিনটি ম্যাচ। এই ৩১টি ম্যাচে তারা গোল করে ৯৯টি এবং হজম করে ১১টি। মাত্র তৃতীয়বারে

আজীবন ফুটবল বিশ্বকাপে দেখা যাবে নিউজিল্যান্ডকে!

শিরোনাম দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খেতেই পারে, যেখানে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার আগে বাছাইপর্ব খেলতে হয় সেখানে কীভাবে আজীবন একটা দেশ বিশ্বকাপে খেলবেই এমন নিশ্চয়তা দিচ্ছে? মূলত বিশ্বকাপের বর্তমান বাছাইপর্বই নিউজিল্যান্ডকে আজীবন বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র দিচ্ছে।

২০২২ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘গ্রেটেস শো অন দ্যা আর্থ’-এ অংশ নিতো ৪৮টি দল। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকেই অংশ নিচ্ছে ৪৮ দল। প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে বাছাইপর্বের শীর্ষ স্থান দখল করে সরাসরি অংশ নেয় নিউজিল্যান্ড।

৪৮ দলের বিশ্বকাপে ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে ১টি দল সরাসরি অংশ নিবে বিশ্বকাপে। ২০০৬ সাল থেকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বড় রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া এশিয়ান অঞ্চলে বাছাইপর্ব খেলে বিধায় নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াটা এক প্রকার নিশ্চিতই বলা চলে তাদের আধিপত্যের কারণে।

ওশেনিয়া অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিউজিল্যান্ড সর্বশেষ ম্যাচ হেরেছিল ২০০৮ সালে ফিজির বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে। তারপর ৩১টি বাছাইপর্বের ম্যাচে ২৮টিতেই জয়লাভ করে টিম পেইনের নিউজিল্যান্ড যেখানে ড্র ছিল তিনটি ম্যাচ। এই ৩১টি ম্যাচে তারা গোল করে ৯৯টি এবং হজম করে ১১টি।

মাত্র তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিউজিল্যান্ড প্রায় প্রত্যেকবারই প্লে-অফে বাদ যেতো। শেষবার তারা ২০১০ সালের বিশ্বকাপের প্লে-অফে বাহরাইনকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছিল। এরপর তাদের অংশ নেওয়াটা বেশ জটিল হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৪ সালে মেক্সিকো, ২০১৮ সালে পেরু এবং ২০২২ সালে কোস্টারিকার বিপক্ষে প্লে-অফে হেরে বিদায় নেয় তারা।

২০২৬ বিশ্বকাপে ওশেনিয়া অঞ্চলের শীর্ষ দলকে আর প্লে-অফ খেলতে হবে না। যে কারণে এবারের বিশ্বকাপের ফিফা র‍্যাংকিংয়ের ৮৫তম দল নিউজিল্যান্ডের সামনের সকল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ এক প্রকার নিশ্চিতই বলা চলে।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow