আপিলে বহাল জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন, মিষ্টি বিতরণ
ভোটের মাঠে নামার আগেই বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ঢাকা-২ সংসদীয় আসনের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হক। ঋণখেলাপির অভিযোগ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে আপিলের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে। জামায়াত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হক জানান, গত ১৩ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে ঢাকা-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে আবারও সক্রিয় হলেন আলোচিত এই প্রার্থী। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের সময় কর্নেল (অব.) আব্দুল হকের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণখেলাপির সুনির্দিষ্ট তথ্য উঠে আসায় নির্বাচন কমিশন তার দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি। নির্বাচন আইন অনুযায়ী ঋণখেলাপি ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নন— এই কঠোর বিধান অনুসরণ করেই তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। তবে আপিল শুনানিতে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঋণখেলাপির অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এবং ঘাটতি থাকা কাগজ
ভোটের মাঠে নামার আগেই বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ঢাকা-২ সংসদীয় আসনের প্রার্থী কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হক। ঋণখেলাপির অভিযোগ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে আপিলের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
জামায়াত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হক জানান, গত ১৩ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে ঢাকা-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে আবারও সক্রিয় হলেন আলোচিত এই প্রার্থী।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের সময় কর্নেল (অব.) আব্দুল হকের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণখেলাপির সুনির্দিষ্ট তথ্য উঠে আসায় নির্বাচন কমিশন তার দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি। নির্বাচন আইন অনুযায়ী ঋণখেলাপি ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নন— এই কঠোর বিধান অনুসরণ করেই তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।
তবে আপিল শুনানিতে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঋণখেলাপির অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এবং ঘাটতি থাকা কাগজপত্র পুনরায় যথাযথভাবে দাখিল করায় কমিশন পূর্বের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।
মোহাম্মদ আব্দুল হক দৈনিক কালবেলাকে বলেন, আমার নিজের নামে কোনো ঋণ নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত না হওয়ায় আপিলে আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ইনশাআল্লাহ জনগণ ভোটের মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে।
এদিকে ঢাকা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার খবরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিভিন্ন এলাকায় মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিক্রিয়া জানান বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?