আমগাছে জামাতার ঝুলন্ত দেহ, পলাতক স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির স্বজনরা
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে ছুটে আসার একদিন পরই নিখোঁজ হন জামাতা তোজাম্মেল হক (৩২)। পরদিন সকালে একটি আমগাছ থেকে উদ্ধার করা হয় তার ঝুলন্ত মরদেহ।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হাবড়া তিলাই নদী ব্রিজ সংলগ্ন বৈরাগী শ্মশান ঘাট এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে পার্বতীপুরের চণ্ডীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের খড় ব্যবসায়ী মোকছেদুল ইসলামের মেয়ে মনিরার (২৮) সঙ্গে তোজাম্মেলের বিয়ে হয়। এটি মনিরার দ্বিতীয় বিয়ে ছিল এবং তার আগের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই মনিরা স্বামীর বাড়িতে না থেকে বাবার বাড়িতে অবস্থান করতেন।
নিহতের দুলাভাই রবিউল ইসলাম জানান, বুধবার (১১ মার্চ) শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে তোজাম্মেল সেখানে যান। বৃহস্পতিবার স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে কাজের সন্ধানে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন আসে— তোজাম্মেলের লাশ আমগাছে ঝুলছে।
চন্ডিপুর ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘মেয়ের বাবা মোকছেদুল আলাদা করার প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এর আগে বিচার-শালি
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে ছুটে আসার একদিন পরই নিখোঁজ হন জামাতা তোজাম্মেল হক (৩২)। পরদিন সকালে একটি আমগাছ থেকে উদ্ধার করা হয় তার ঝুলন্ত মরদেহ।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হাবড়া তিলাই নদী ব্রিজ সংলগ্ন বৈরাগী শ্মশান ঘাট এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে পার্বতীপুরের চণ্ডীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের খড় ব্যবসায়ী মোকছেদুল ইসলামের মেয়ে মনিরার (২৮) সঙ্গে তোজাম্মেলের বিয়ে হয়। এটি মনিরার দ্বিতীয় বিয়ে ছিল এবং তার আগের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই মনিরা স্বামীর বাড়িতে না থেকে বাবার বাড়িতে অবস্থান করতেন।
নিহতের দুলাভাই রবিউল ইসলাম জানান, বুধবার (১১ মার্চ) শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন পেয়ে তোজাম্মেল সেখানে যান। বৃহস্পতিবার স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে কাজের সন্ধানে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন আসে— তোজাম্মেলের লাশ আমগাছে ঝুলছে।
চন্ডিপুর ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নিরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘মেয়ের বাবা মোকছেদুল আলাদা করার প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এর আগে বিচার-শালিস করে এক করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু মেয়ে শ্বশুর বাড়ি যায় না। মেয়ের আগের ঘরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ঘটনার পর থানা থেকে পুলিশ আসে। এরপর থেকে ছেলের শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্ত্রী কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না।’
ভবানীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বুধবার দিবাগত রাতের যেকোনো সময় ঘটনাটি সংঘটিত হতে পারে।’
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি মো. আ. ওয়াদুদ জানিয়েছেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন প্রস্তুতি চলছে।