আমলাতন্ত্র কোনোদিনই সরকারের পলিটিক্যাল বলয়ের সঙ্গে কাজ করতে দেবে না
রেস্তোরাঁ খাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ভ্যাট ব্যবস্থার বৈষম্যের কারণে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান। তিনি বলেন, ‘আমলাতন্ত্র কোনোদিনই আমাদের সরকারের পলিটিক্যাল বলয়ের সঙ্গে কাজ করতে দেবে না। ৫০ বছরেও এই সিস্টেমের পরিবর্তন হয়নি।’ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৪৬তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এনবিআর ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) এই সভার আয়োজন করে। ইমরান হাসান অভিযোগ করেন, ‘রেস্তোরাঁ খাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমি নিয়মিত ভ্যাট দিচ্ছি, অথচ ফুডকার্টের দোকানে কোনো ভ্যাট লাইসেন্স বা ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স নেই, তাদের ওপর কোনো চাপ নেই। এই বৈষম্য দূর না হলে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা সম্ভব নয়।’ এনবিআরের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, ‘সারাজীবন ইএফডি নিয়ে কথা বলা হয়েছে, এখন আবার নতুন সফটওয়্যার আনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এগুলোর বাস্তবায়ন হবে না, কারণ পরিকল্পনায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের
রেস্তোরাঁ খাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ভ্যাট ব্যবস্থার বৈষম্যের কারণে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান।
তিনি বলেন, ‘আমলাতন্ত্র কোনোদিনই আমাদের সরকারের পলিটিক্যাল বলয়ের সঙ্গে কাজ করতে দেবে না। ৫০ বছরেও এই সিস্টেমের পরিবর্তন হয়নি।’
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৪৬তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এনবিআর ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) এই সভার আয়োজন করে।
ইমরান হাসান অভিযোগ করেন, ‘রেস্তোরাঁ খাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমি নিয়মিত ভ্যাট দিচ্ছি, অথচ ফুডকার্টের দোকানে কোনো ভ্যাট লাইসেন্স বা ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স নেই, তাদের ওপর কোনো চাপ নেই। এই বৈষম্য দূর না হলে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা সম্ভব নয়।’
এনবিআরের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, ‘সারাজীবন ইএফডি নিয়ে কথা বলা হয়েছে, এখন আবার নতুন সফটওয়্যার আনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এগুলোর বাস্তবায়ন হবে না, কারণ পরিকল্পনায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্বার্থ প্রতিফলিত হয় না।’
ভ্যাট হার নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আইএমএফের পরামর্শে ১৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের উদ্যোগ বাস্তবসম্মত নয়। আমরা অতীতে ১৫ শতাংশ থেকে ভ্যাট কমিয়ে আনার পক্ষে কথা বলেছি এবং তাতে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। তাই ভ্যাট হার কমিয়ে ট্যাক্স নেট বাড়ানোই উচিত।’
তিনি প্রস্তাব করেন, ব্যবসায়িক লাইসেন্সের সঙ্গে ভ্যাট ও আয়কর একসঙ্গে আদায়ের ব্যবস্থা করা হলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রক্রিয়া সহজ হবে।
করপোরেট আগ্রাসনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, ‘বড় বড় কোম্পানিগুলো আমদানি-রপ্তানির সুযোগ ব্যবহার করে কম দামে পণ্য বাজারে ছেড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতায় ফেলছে।’ এ বিষয়ে তদন্ত ও একটি সুস্পষ্ট শিল্পনীতির দাবি জানান তিনি।
সরকারি নীতি প্রণয়নে বেসরকারি খাতের সৎ ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিয়ে ইমরান হাসান বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সরকারি আমলাদের পাশাপাশি সৎ উদ্যোক্তাদের মতামত নিতে হবে। না হলে একই জায়গায় থেকে যাবে অর্থনীতি।’
এসএম/ইএ
What's Your Reaction?