আমার সাহস প্রচণ্ড বেশি, কোনো কিছু ভয় পাইনি : ইমি

দীর্ঘ দুই মাস কারাভোগের পর মুক্তি পাওয়া শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি নিজের কারাজীবন, পরিবার ও ব্যক্তিগত সংকট নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। শুক্রবার (৮ মে) গণমাধ্যমের এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে সাবেক এই ছাত্রনেত্রী বলেন, ‘জীবনে নিজের কষ্টের চেয়ে পরিবারের যন্ত্রণা আমাকে বেশি নাড়া দিয়েছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) ইমি বলেন, ‘আমার সাহসটা প্রচণ্ড বেশি। আমি কোনো কিছুই ভয় পাইনি, এখনও পাই না। নিজের ওপর কিছু এলে হয়তো এত কষ্ট লাগত না, কিন্তু আমার পরিবার যেটার মধ্য দিয়ে গেছে, সেটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে।’ তিনি জানান, কারাবন্দি থাকায় তার মাস্টার্স শেষ করা সম্ভব হয়নি। এমনকি বিয়ের পর প্রথম ঈদও পরিবার একসঙ্গে করতে পারেনি। আবেগঘন কণ্ঠে ইমি বলেন, ‘আমার শাশুড়ির কোনো মেয়ে নেই, তিনি আমাকে মেয়ের মতো দেখেন। আমার বড় দুই ভাসুরও কখনো আমাকে ভাইয়ের বউ হিসেবে দেখেননি, সবসময় বোনের জায়গা দিয়েছেন।’ জামিন শুনানির দিনের একটি ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ৫ এপ্রিল তার জামিন শুনানি ছিল। পরিবারের সবাই আশাবাদী ছিলেন যে তিনি মুক্তি পাবেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করলে সেই ধাক্কা

আমার সাহস প্রচণ্ড বেশি, কোনো কিছু ভয় পাইনি : ইমি
দীর্ঘ দুই মাস কারাভোগের পর মুক্তি পাওয়া শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি নিজের কারাজীবন, পরিবার ও ব্যক্তিগত সংকট নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। শুক্রবার (৮ মে) গণমাধ্যমের এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে সাবেক এই ছাত্রনেত্রী বলেন, ‘জীবনে নিজের কষ্টের চেয়ে পরিবারের যন্ত্রণা আমাকে বেশি নাড়া দিয়েছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) ইমি বলেন, ‘আমার সাহসটা প্রচণ্ড বেশি। আমি কোনো কিছুই ভয় পাইনি, এখনও পাই না। নিজের ওপর কিছু এলে হয়তো এত কষ্ট লাগত না, কিন্তু আমার পরিবার যেটার মধ্য দিয়ে গেছে, সেটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে।’ তিনি জানান, কারাবন্দি থাকায় তার মাস্টার্স শেষ করা সম্ভব হয়নি। এমনকি বিয়ের পর প্রথম ঈদও পরিবার একসঙ্গে করতে পারেনি। আবেগঘন কণ্ঠে ইমি বলেন, ‘আমার শাশুড়ির কোনো মেয়ে নেই, তিনি আমাকে মেয়ের মতো দেখেন। আমার বড় দুই ভাসুরও কখনো আমাকে ভাইয়ের বউ হিসেবে দেখেননি, সবসময় বোনের জায়গা দিয়েছেন।’ জামিন শুনানির দিনের একটি ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ৫ এপ্রিল তার জামিন শুনানি ছিল। পরিবারের সবাই আশাবাদী ছিলেন যে তিনি মুক্তি পাবেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করলে সেই ধাক্কা সহ্য করতে পারেননি তার বাবা। ইমি বলেন, ‘আব্বুর হালকা স্ট্রোক হয়ে যায়। সেদিন রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার চেয়ে অনেক বেশি ত্যাগ আর যন্ত্রণার গল্প মানুষের আছে। আমি ভুল করতে পারি, শাস্তিও হতে পারে। কিন্তু সেটা নিয়মতান্ত্রিকভাবে হওয়া উচিত। একজন মানুষকে যখন ন্যূনতম মানবিক মর্যাদাটুকুও দেওয়া হয় না, তখন সেটা অমানবিক আচরণ হয়ে যায়।’ তার ভাষায়, ‘যত বড় অপরাধীই হোক, দিনের পর দিন কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা ছাড়া আটকে রাখা ঠিক নয়।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow