আমি এই পরিশ্রম বৃথা যেতে দেব না: সুনেরাহ
অল্পসময়েই নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শক জনপ্রিয়তায় উঠে আসেন অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল। তবে এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী পর্দার চরিত্র নয়, বরং ভক্তদের সামনে উন্মোচন করলেন নিজের মনের অবস্থা ও দীর্ঘ সংগ্রামের কথা । সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে নিজের মনের অবস্থা ও দীর্ঘ সংগ্রামের কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই সুন্দরী। সুনেরাহ লিখেছেন, ‘আজ যখন আমি আয়নায় নিজের দিকে তাকালাম, নিজের চোখে এমন কিছু একটা দেখলাম যা আমার ভালো লাগেনি। এমন কিছু যা আমি নিজের মধ্যে দেখতে চাই না; তাকে বিষণ্ণতা, অসহায়ত্ব কিংবা শোক যা-ই বলুন না কেন।’ নিজের ভেতরের এই অদ্ভুত অনুভূতির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘অনুভূতিটা ছিল খুব অদ্ভুত। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল না, কিন্তু তবুও সবকিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছিল না। আমি প্রতিদিন নিজের ওপর কাজ করেছি আরও ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য, প্রাণশক্তিতে ভরপুর একটি আনন্দময় জীবন কাটানোর জন্য।’ অভিনেত্রী আরও জানান, তিনি নিজেকে মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছেন। তার জীবনের এমন কিছু সংগ্রামের পথচলা আছে যা নিয়ে তিনি সচরাচর জনসম
অল্পসময়েই নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শক জনপ্রিয়তায় উঠে আসেন অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল। তবে এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী পর্দার চরিত্র নয়, বরং ভক্তদের সামনে উন্মোচন করলেন নিজের মনের অবস্থা ও দীর্ঘ সংগ্রামের কথা ।
সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে নিজের মনের অবস্থা ও দীর্ঘ সংগ্রামের কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই সুন্দরী।
সুনেরাহ লিখেছেন, ‘আজ যখন আমি আয়নায় নিজের দিকে তাকালাম, নিজের চোখে এমন কিছু একটা দেখলাম যা আমার ভালো লাগেনি। এমন কিছু যা আমি নিজের মধ্যে দেখতে চাই না; তাকে বিষণ্ণতা, অসহায়ত্ব কিংবা শোক যা-ই বলুন না কেন।’
নিজের ভেতরের এই অদ্ভুত অনুভূতির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘অনুভূতিটা ছিল খুব অদ্ভুত। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল না, কিন্তু তবুও সবকিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছিল না। আমি প্রতিদিন নিজের ওপর কাজ করেছি আরও ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য, প্রাণশক্তিতে ভরপুর একটি আনন্দময় জীবন কাটানোর জন্য।’
অভিনেত্রী আরও জানান, তিনি নিজেকে মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছেন। তার জীবনের এমন কিছু সংগ্রামের পথচলা আছে যা নিয়ে তিনি সচরাচর জনসম্মুখে কথা বলেন না। তার কথায়, ‘সেই পথটা ছিল একান্তই আমার। আমি একাই সবটুকু পথ পাড়ি দিয়েছি। আর আমি এই পরিশ্রম বৃথা যেতে দেব না।’
নিজের প্রতি নিজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমি ঠিক করেছি, আমি হাসব এবং খুশি থাকব। এই হাসিটাই আমার সাথে মানায়। আমি সুখ এবং এক উন্নত জীবন পছন্দ করি। আমি কোনো কিছু বা অন্য কাউকে আমার থেকে এসব কেড়ে নিতে দেব না। এটা আমার নিজের কাছে নিজের প্রতিশ্রুতি।’
What's Your Reaction?