আরব মিত্রদের বিপুল অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের কাছে বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে কংগ্রেসের কাছে পাঠানো একটি নোটিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রাথমিক হিসাবে ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র দেওয়া হবে।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতের কাছে ৮ বিলিয়ন বা ৮০০ কোটি ডলার সমমূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করা হবে। এতে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার সিস্টেম। আর জর্ডানের জন্য সাড়ে ৭ কোটি ডলারের বিমান ও গোলাবারুদ সহায়তা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কাছে ৮০০ কোটি ডলারের বেশি সমমূল্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে ড্রোন, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের গোলাবারুদ রয়েছে।
শুধু তাই নয়, ওই দেশ তিনটির কাছে আরও ৬ বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি ডলারের সমমূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এ বিষয়ে বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
এদিকে ইরান যুদ্ধ শেষ হলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের কাছে বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে কংগ্রেসের কাছে পাঠানো একটি নোটিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রাথমিক হিসাবে ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র দেওয়া হবে।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতের কাছে ৮ বিলিয়ন বা ৮০০ কোটি ডলার সমমূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করা হবে। এতে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার সিস্টেম। আর জর্ডানের জন্য সাড়ে ৭ কোটি ডলারের বিমান ও গোলাবারুদ সহায়তা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কাছে ৮০০ কোটি ডলারের বেশি সমমূল্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে ড্রোন, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের গোলাবারুদ রয়েছে।
শুধু তাই নয়, ওই দেশ তিনটির কাছে আরও ৬ বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি ডলারের সমমূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এ বিষয়ে বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
এদিকে ইরান যুদ্ধ শেষ হলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য নতুন রুট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি আশা করেন, এ যুদ্ধে জয়ী হওয়ার পর হরমুজ প্রণালির বদলে নতুন রুট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর সেটি হবে ইসরায়েলের মধ্য দিয়ে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জেরুজালেমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন নেতানিয়াহু।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা করলে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াত সীমিত করে তেহরান। এতে সারাবিশ্বে তেল ও গ্যাসের বাজারের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
নেতানিয়াহুর মতে, আরব উপদ্বীপ হয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি ইসরায়েলের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর পর্যন্ত নিয়ে আসা হলে হরমুজ প্রণালীর ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।