আর্জেন্টিনার উসকানি ও আক্রমণ নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন স্পেন কোচ
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে ম্যাচ শেষে উদযাপনের আনন্দ ছাপিয়ে আলোচনায় আসে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। ঘটনার কয়েকদিন পর এ নিয়ে মুখ খুলেছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। স্প্যানিশ গণমাধ্যম টিভিই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ম্যাচের পর তিনি ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে খেয়াল করেননি। কারণ তখন তিনি দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন। পরে ভিডিও দেখে পুরো ঘটনা জানার পর তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘সেই মুহূর্তে আমি কিছুই বুঝতে পারিনি, কারণ উদযাপনে ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু পরে ভিডিও দেখে বুঝেছি। এমন আচরণ সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং গ্রহণযোগ্য নয়। ফুটবলে এর কোনো জায়গা নেই।’ ফাইনালের পর ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু করেছে ফিফা। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির উত্তেজনা এবং আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার সঙ্গে দানি ওলমোর ঘটনাও তদন্তের আওতায় রয়েছে। লা ফুয়েন্তে বলেন, এমন উচ্চমানের ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে ম্যাচ শেষে উদযাপনের আনন্দ ছাপিয়ে আলোচনায় আসে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। ঘটনার কয়েকদিন পর এ নিয়ে মুখ খুলেছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
স্প্যানিশ গণমাধ্যম টিভিই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ম্যাচের পর তিনি ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে খেয়াল করেননি। কারণ তখন তিনি দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন। পরে ভিডিও দেখে পুরো ঘটনা জানার পর তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘সেই মুহূর্তে আমি কিছুই বুঝতে পারিনি, কারণ উদযাপনে ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু পরে ভিডিও দেখে বুঝেছি। এমন আচরণ সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং গ্রহণযোগ্য নয়। ফুটবলে এর কোনো জায়গা নেই।’
ফাইনালের পর ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু করেছে ফিফা। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির উত্তেজনা এবং আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার সঙ্গে দানি ওলমোর ঘটনাও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
লা ফুয়েন্তে বলেন, এমন উচ্চমানের ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। তার মতে, বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে এমন প্রতিক্রিয়া কোনোভাবেই মানানসই নয়।
স্পেন কোচ বলেন, ‘এত বড় মাপের ফুটবলারদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না। তাদের একজন অভিজ্ঞ কোচও আছেন, যিনি নিশ্চয়ই এসব দেখে আমাদের মতোই হতাশ হয়েছেন। এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
স্পেন কোচ অবশ্য নিজের দলের খেলোয়াড়দের প্রশংসাও করেছেন। তার দাবি, প্রতিপক্ষের উসকানি ও উত্তেজনার মুখেও স্প্যানিশ ফুটবলাররা ধৈর্য ও সংযম বজায় রেখেছেন।
লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘আমি আমাদের খেলোয়াড়দের আচরণকে বিশেষভাবে প্রশংসা করতে চাই। তারা উসকানি ও আক্রমণের মুখেও প্রকৃত ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে এবং নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি।’
বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতি নিয়েও কথা বলেন দে লা ফুয়েন্তে। তিনি জানান, দীর্ঘ প্রস্তুতি, কঠিন আবহাওয়া, ভ্রমণ এবং টানা পরিশ্রমের পর অর্জিত এই সাফল্য এখনও পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেননি, ‘দিন যত যাবে, ততই হয়তো এই অর্জনের গুরুত্ব আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারব।’
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের পর দীর্ঘ ১৬ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন।
এমএমআর
What's Your Reaction?