আলজেরিয়ার বিদায়ে শেষ ষোলতে সুইজারল্যান্ড
বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লড়াইয়ে ভ্যাঙ্কুভারে মুখোমুখি হয়েছিল সুইজারল্যান্ড ও আলজেরিয়া। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে এবং পরে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়ে ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয় সুইসরা। ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় সুযোগ নষ্ট করে আলজেরিয়া টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।
ম্যাচের ১১ মিনিটেই গোল হজম করে আলজেরিয়া। সুইজারল্যান্ডের হয়ে গোল করেন ব্রিল এমবোলো। এরপর টানা আক্রমণে সুইসদের চাপে রাখলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে সমতায় ফিরতে পারেনি আলজেরিয়া।
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সুইজারল্যান্ড। বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও একটি গোল পায় তারা। ৪৬ মিনিটে দারুণ শটে গোল করেন ড্যান এনদোয়ে।
পুরো ম্যাচজুড়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল আদায় করতে ব্যর্থ হয় আলজেরিয়া।
বি-গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে সাত পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে ওঠে সুইজারল্যান্ড। গ্রুপপর্বে তারা স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ করে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ নয় ম্যাচে অপরাজিত ছিল মুরাত ইয়াকিনের দল। সবশেষ ১০ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তাদের একমাত্র হার ছিল স্পেনের বিপক্ষে। এছাড়া শেষ ১৪ ম্যাচে মাত্র একবারই একাধিক গোল হজম করেছে সুইসরা।
অন্
বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লড়াইয়ে ভ্যাঙ্কুভারে মুখোমুখি হয়েছিল সুইজারল্যান্ড ও আলজেরিয়া। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে এবং পরে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়ে ২-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয় সুইসরা। ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় সুযোগ নষ্ট করে আলজেরিয়া টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।
ম্যাচের ১১ মিনিটেই গোল হজম করে আলজেরিয়া। সুইজারল্যান্ডের হয়ে গোল করেন ব্রিল এমবোলো। এরপর টানা আক্রমণে সুইসদের চাপে রাখলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে সমতায় ফিরতে পারেনি আলজেরিয়া।
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সুইজারল্যান্ড। বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও একটি গোল পায় তারা। ৪৬ মিনিটে দারুণ শটে গোল করেন ড্যান এনদোয়ে।
পুরো ম্যাচজুড়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল আদায় করতে ব্যর্থ হয় আলজেরিয়া।
বি-গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে সাত পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে ওঠে সুইজারল্যান্ড। গ্রুপপর্বে তারা স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ করে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ নয় ম্যাচে অপরাজিত ছিল মুরাত ইয়াকিনের দল। সবশেষ ১০ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তাদের একমাত্র হার ছিল স্পেনের বিপক্ষে। এছাড়া শেষ ১৪ ম্যাচে মাত্র একবারই একাধিক গোল হজম করেছে সুইসরা।
অন্যদিকে, জে-গ্রুপে শেষ ম্যাচে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করে গোল ব্যবধানে নকআউট নিশ্চিত করে আলজেরিয়া। ভ্লাদিমির পেতকোভিচের দলের শেষ সাত ম্যাচে একমাত্র হার এসেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে।
দুই দলের আগের দুটি দেখাতেই জয় পেয়েছিল সুইজারল্যান্ড।
এখন শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে ঘানা অথবা কলম্বিয়া।