আ’লীগ কার্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমান-শেখ হাসিনার ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এসময় কার্যালয়ে নতুন সাইনবোর্ড লাগানো ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বেতাগী পৌর মার্কেট এলাকায় অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম কাগজে মোড়ানো ছবি নিয়ে আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করছেন। পরে তারা কার্যালয়ের ভেতরে দেওয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে ফুলের মালা দেন। এরপর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের ওপরে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বেতাগী উপজেলা’ লেখা একটি স্টিকার দেওয়ালে লাগিয়ে দেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। এসময় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দে
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এসময় কার্যালয়ে নতুন সাইনবোর্ড লাগানো ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বেতাগী পৌর মার্কেট এলাকায় অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম কাগজে মোড়ানো ছবি নিয়ে আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করছেন। পরে তারা কার্যালয়ের ভেতরে দেওয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে ফুলের মালা দেন। এরপর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের ওপরে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বেতাগী উপজেলা’ লেখা একটি স্টিকার দেওয়ালে লাগিয়ে দেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। এসময় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দেখা যায়।
আর একটি ভিডিও বার্তায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদারকে বলতে শোনা যায়, ‘আসলে পার্টি অফিস খোলার মতো এখানে কিছু নেই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৮ মাস পরে আজ দুপুর ১টার দিকে নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদের দেশের সকল পার্টি অফিসগুলো খোলার জন্য। নির্দেশনা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি এবং আমার চাচা সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম বেতাগী পার্টি অফিসে প্রবেশ করি। এবং আমাদের নেত্রী ও জাতীর পিতার ছবি টাঙিয়েছি। এছাড়াও পার্টি অফিসের নতুন ব্যানার এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছি। আসলে আওয়ামী লীগ হচ্ছে গণমানুষের একটি দল। এখানে কে কী করলো, কী নিষিদ্ধ করলো তা দেখার আমাদের টাইম নাই।’
আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রবেশের বিষয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহীন জাগো নিউজকে বলেন, শুনেছি গোপনে কেউ এমন কাজ করেছে। রাষ্ট্রীয় আইনে যেহেতু সংগঠনটি নিষিদ্ধ, সেক্ষেত্রে এ ধরনের চেষ্টা রীতিমতো অবাক করার বিষয়। এমন ঘটনা ঘটলে তা আমি মনে করি পুলিশ প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ব্যর্থতা। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। পরবর্তীতে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নুরুল আহাদ অনিক/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?