আ.লীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে বিএনপি কর্মীর মৃত্যু

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা ঘিরে পুলিশের দৌড়ঝাঁপের মধ্যে পড়ে বিএনপির এক কর্মী অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।  শনিবার (২৪ জানুয়ারি) উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের হরষপুর স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্বাস উদ্দিন স্থানীয় বিএনপির কর্মী এবং ধর্মঘর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হকের চাচা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই গ্রামের মধ্যে সংঘটিত একটি মারামারির ঘটনায় সালিশ বৈঠক করছিলেন ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ ফারুক। এ সময় কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে ও আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ উপস্থিত হলে স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে মাধবপুর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাজুড়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়। এই সময় বিএনপি কর্মী ও স্থানীয় কৃষক আব্বাস উদ্দিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করা হলেও তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার স্বজনরা জা

আ.লীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে বিএনপি কর্মীর মৃত্যু
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা ঘিরে পুলিশের দৌড়ঝাঁপের মধ্যে পড়ে বিএনপির এক কর্মী অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।  শনিবার (২৪ জানুয়ারি) উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের হরষপুর স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্বাস উদ্দিন স্থানীয় বিএনপির কর্মী এবং ধর্মঘর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হকের চাচা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই গ্রামের মধ্যে সংঘটিত একটি মারামারির ঘটনায় সালিশ বৈঠক করছিলেন ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ ফারুক। এ সময় কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে ও আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ উপস্থিত হলে স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে মাধবপুর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাজুড়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়। এই সময় বিএনপি কর্মী ও স্থানীয় কৃষক আব্বাস উদ্দিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করা হলেও তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার স্বজনরা জানিয়েছে, একই দিনে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা যুবদলের নেতা সাইফুজ্জামান টিটু বলেন, আব্বাস উদ্দিন বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। ভিড় ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। এখানে পুলিশের কোনো সরাসরি দোষ ছিল না। অন্যদিকে ধর্মঘর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ শিবু সরকার জানান, পুলিশি পরিস্থিতি ও দৌড়ঝাঁপের ভয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow