আলোচনার মূল বিষয় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বলছে ইরান

বর্তমানে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধবিরতি, যুদ্ধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। ইরানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এমনটি জানিয়েছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। পরে বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।  বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে জানানো হবে। এরপর উভয় পক্ষের বার্তা বিনিময়ের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। এদিকে মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার (০৬ মে) প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, পত্রিকাটির স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত ঘাঁটি বা স্থাপনাগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চ

আলোচনার মূল বিষয় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বলছে ইরান

বর্তমানে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধবিরতি, যুদ্ধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। ইরানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এমনটি জানিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। পরে বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। 

বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে জানানো হবে। এরপর উভয় পক্ষের বার্তা বিনিময়ের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার (০৬ মে) প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, পত্রিকাটির স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত ঘাঁটি বা স্থাপনাগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিমান সংরক্ষণ কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান, এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম।

মার্কিন এই সংবাদপত্রটি লিখেছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কখনো স্বীকার করা বা এর আগে কোনো প্রতিবেদনে উঠে আসা যেকোনো তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow