আশাশুনিতে ‘গোপন বৈঠক’ থেকে গ্রেপ্তার ৬

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠকে অংশ নেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সেখানে সরকারবিরোধী নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি থানা পুলিশের একটি দল রাত সোয়া ১টার দিকে ওই ভবনে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ভবনের ছাদ থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ভবনের নিচতলায় অবস্থানরত আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কচুয়া গ্রামের ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ, আছাফুর রহমান, ইকরামুল ঢালী, জিয়াউর রহমান, আজিজুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলাম। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। এ ছাড়া চলন্ত যানবাহনে হামলা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং আইনশ

আশাশুনিতে ‘গোপন বৈঠক’ থেকে গ্রেপ্তার ৬

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠকে অংশ নেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সেখানে সরকারবিরোধী নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি থানা পুলিশের একটি দল রাত সোয়া ১টার দিকে ওই ভবনে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ভবনের ছাদ থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ভবনের নিচতলায় অবস্থানরত আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কচুয়া গ্রামের ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ, আছাফুর রহমান, ইকরামুল ঢালী, জিয়াউর রহমান, আজিজুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। এ ছাড়া চলন্ত যানবাহনে হামলা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনার অভিযোগও আনা হয়েছে।

আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাক আহম্মেদ বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে অভিযুক্তদের পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow