আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত অগ্রগতির প্রতিবেদন দাখিল

সাবেক সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর-এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও শত কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মামলার তদন্তে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভারপ্রাপ্ত ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আলমগীরের আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান নূর ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তার সংশ্লিষ্ট ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), যা বর্তমানে তদন্তাধীন। এদিকে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান আদালতে দাখিল করা অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, এরইমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর থেকে পূর্ণাঙ্গ রেকর্ডপত্র এখনো পাওয়া যায়নি। এসব নথি সংগ্রহ করা গেলে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে। রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, তদন্ত

আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত অগ্রগতির প্রতিবেদন দাখিল

সাবেক সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর-এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও শত কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মামলার তদন্তে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভারপ্রাপ্ত ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আলমগীরের আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান নূর ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তার সংশ্লিষ্ট ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), যা বর্তমানে তদন্তাধীন।

এদিকে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান আদালতে দাখিল করা অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, এরইমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর থেকে পূর্ণাঙ্গ রেকর্ডপত্র এখনো পাওয়া যায়নি। এসব নথি সংগ্রহ করা গেলে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে।

রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলাটিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ ও পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে।

এমডিএএ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow