আসামির মোবাইল গায়েবের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে আসামির দুটি মোবাইল গায়েবের অভিযোগ উঠেছে থানার ওসি জেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে থানায় মোবাইল নিতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে বের করে দিয়েছেন ওসি জেল্লাল হোসেন। এমন অভিযোগ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা এলাকার নাজমুল হোসেনের।
নাজমুল হোসেন জানান, গত ১১ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা বাজারের মামুন কম্পিউটারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশ কম্পিউটার টেবিলের উপর থেকে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ওই টেবিলের উপর দুটি মোবাইল ছিল। পরে আদালতে যাওয়ার সময় ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে চালান দেওয়া হয় বলে পুলিশ তাকে জানায়। চালান দেওয়ার সময় জামিনে মুক্ত হয়ে দুটি মোবাইল থানা থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে এসআই হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, গত ১ জুলাই জামিনে মুক্ত হয়ে থানায় গিয়েছিলাম মোবাইল নিয়ে আসতে। এ সময় ওসি বলে পরের দিন বেলা ১১টায় যেতে। পরদিন (২ জুলাই) থানায় মোবাইল নিয়ে আসতে গেলে এএসআই রফিক বলে মোবাইল খোঁজার জন্য আমাদের ২/১ দিন সময় দাও। এরপর ওসির কাছে গেলে সে এএসআই রফিককে ডেকে মোবাইলের বিষয়ে জানতে চায়। এ সময় এএসআই
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে আসামির দুটি মোবাইল গায়েবের অভিযোগ উঠেছে থানার ওসি জেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে থানায় মোবাইল নিতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে বের করে দিয়েছেন ওসি জেল্লাল হোসেন। এমন অভিযোগ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা এলাকার নাজমুল হোসেনের।
নাজমুল হোসেন জানান, গত ১১ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা বাজারের মামুন কম্পিউটারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশ কম্পিউটার টেবিলের উপর থেকে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ওই টেবিলের উপর দুটি মোবাইল ছিল। পরে আদালতে যাওয়ার সময় ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে চালান দেওয়া হয় বলে পুলিশ তাকে জানায়। চালান দেওয়ার সময় জামিনে মুক্ত হয়ে দুটি মোবাইল থানা থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে এসআই হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, গত ১ জুলাই জামিনে মুক্ত হয়ে থানায় গিয়েছিলাম মোবাইল নিয়ে আসতে। এ সময় ওসি বলে পরের দিন বেলা ১১টায় যেতে। পরদিন (২ জুলাই) থানায় মোবাইল নিয়ে আসতে গেলে এএসআই রফিক বলে মোবাইল খোঁজার জন্য আমাদের ২/১ দিন সময় দাও। এরপর ওসির কাছে গেলে সে এএসআই রফিককে ডেকে মোবাইলের বিষয়ে জানতে চায়। এ সময় এএসআই রফিক বলে স্যার, মোবাইল পাওয়া যাচ্ছে না। এ সময় ওসি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে মারতে উদ্যত হন।
নাজমুল আরও বলেন, অভিযানের সময় টেবিলের উপরেই আমার দুটি এ্যান্ড্রোয়েড মোবাইল ছিল। একটি আইফোন-১২ প্রো ম্যাক্স ও পোকো এক্স-৩ মডেলের। অভিযানের এই ভিডিও ওসি জেল্লাল হোসেন নিজের ফেসবুক আইডতে পোস্ট করেছেন। সেখানেও আমার দুটি মোবাইল দেখা যাচ্ছে। হলুদ একটি ব্যাগে তারা মোবাইল নিয়ে আসে। এখন তারা মোবাইলের বিষয়টি অস্বীকার করছে। তারা আমাকে মোবাইল দেওয়ার কথা বলে ঘুরিয়েই যাচ্ছে।
ওসি জেল্লাল হোসেনের ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে গিয়ে দেখা যায়, তিনি ১১ জুন একটি দোকানে অভিযানের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে নাজমুল হোসেনকে হাতকড়া পরা অবস্থায়া দেখা যায় এবং টেবিলের উপরে দুটি মোবাইল দেখা যায়। মোবাইল দুটি হাত দিয়ে নাড়াচাড়াও করছিলেন ওসি জেল্লাল হোসেন। অভিযানের সময় এসআই কৌশিক, এএসআই সোহাগ, এএসআই জিয়া, এএসআই রফিক উপস্থিত ছিলেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, যদি কেউ মোবাইল নিয়ে এসে আর ভিডিওতে দেখা যায় তাহলে সে মোবাইল পাবে। তাকে কাল সকালে একটু থানায় আসতে বলেন। জামিনের পর থানায় মোবাইল আনতে গেলে তাকে গালাগাল ও মারতে উদ্যত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ওখানে আইফোন ছিল না। ২ পিসের পরিবর্তে ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে চালান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার কাছে ১০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।