ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে ফকল্যান্ড-ইস্যু উসকে দিলেন আর্জেন্টিনার মন্ত্রী

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা মহারণের আগে মাঠের বাইরের উত্তেজনাও তুঙ্গে। ম্যাচের মাত্র কয়েক দিন আগে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনার ভাষায় মালভিনাস) নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কুইর্নো। একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত নিবন্ধে কুইর্নো ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বর্তমান বাসিন্দাদের ‘কৃত্রিমভাবে বসতি স্থাপন করা জনসংখ্যা’ বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০১৩ সালের গণভোটের বৈধতাও প্রত্যাখ্যান করেন। ওই গণভোটে ফকল্যান্ডের ৯৯.৮ শতাংশ ভোটার ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবেই থাকার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। কুইর্নোর দাবি, দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্বের বিষয়টি গণভোটের মাধ্যমে নয়, বরং আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই নির্ধারণ হওয়া উচিত। নিজের নিবন্ধে তিনি লেখেন, ‘সময় কোনো অবৈধ দখলকে কখনোই সার্বভৌমত্বে পরিণত করতে পারে না।’ শুধু তাই নয়, মালভিনাসের ওপর আর্জেন্টিনার দাবি থেকে দেশটি কখনোই সরে আসবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। কুইর্নো বলেন, ‘আমাদের এই দাবি কখনোই প্রত্যাহার করা হবে না, ত্যাগ করা হবে না বা পরিত্যাগ করা হবে না।’ বিশ্বকাপের সেমিফ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে ফকল্যান্ড-ইস্যু উসকে দিলেন আর্জেন্টিনার মন্ত্রী

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা মহারণের আগে মাঠের বাইরের উত্তেজনাও তুঙ্গে। ম্যাচের মাত্র কয়েক দিন আগে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনার ভাষায় মালভিনাস) নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কুইর্নো।

একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত নিবন্ধে কুইর্নো ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বর্তমান বাসিন্দাদের ‘কৃত্রিমভাবে বসতি স্থাপন করা জনসংখ্যা’ বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০১৩ সালের গণভোটের বৈধতাও প্রত্যাখ্যান করেন। ওই গণভোটে ফকল্যান্ডের ৯৯.৮ শতাংশ ভোটার ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবেই থাকার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন।

কুইর্নোর দাবি, দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্বের বিষয়টি গণভোটের মাধ্যমে নয়, বরং আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই নির্ধারণ হওয়া উচিত। নিজের নিবন্ধে তিনি লেখেন, ‘সময় কোনো অবৈধ দখলকে কখনোই সার্বভৌমত্বে পরিণত করতে পারে না।’

শুধু তাই নয়, মালভিনাসের ওপর আর্জেন্টিনার দাবি থেকে দেশটি কখনোই সরে আসবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি।

কুইর্নো বলেন, ‘আমাদের এই দাবি কখনোই প্রত্যাহার করা হবে না, ত্যাগ করা হবে না বা পরিত্যাগ করা হবে না।’

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ঠিক আগে এমন মন্তব্যের সময়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ফুটবলের অন্যতম তীব্র এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু বছর ধরেই রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ এবং ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল-দুই দেশের বৈরিতাকে আরও গভীর করেছে।

এবারের বিশ্বকাপেও সেই আবেগের প্রতিফলন দেখা গেছে। সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড়কে উদযাপনের সময় ‘মালভিনাসের জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাই’-এমন গান গাইতে দেখা যায়।

অন্যদিকে, সেমিফাইনাল ভেন্যু আটলান্টাতেও ইতোমধ্যে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফলে ইতিহাস, রাজনীতি ও ফুটবলের উত্তাপ মিলিয়ে বুধবারের ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা লড়াইকে ঘিরে উত্তেজনা এখন চরমে।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow