ইইউর গাড়িতে শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে ইইউভুক্ত দেশগুলোর গাড়ি ও ট্রাকে শুল্ক ১৫% থেকে বাড়িয়ে ২৫% করা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রেই ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর তৈরি গাড়ির ক্ষেত্রে এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে না। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, পূর্বে করা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে ইইউ ব্যর্থ হয়েছে, যার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে ইউরোপীয় কর্মকর্তারা দ্রুত এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির প্রধান বার্ন্ড ল্যাংগে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত এবং এর জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এর আগে স্কটল্যান্ডে হওয়া একটি চুক্তিতে বেশিরভাগ ইইউ পণ্যের ওপর ১৫% শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে গাড়িও ছিল। তবে সেই চুক্তি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায়নি। এর জন্য ইউরোপীয় কমিশন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। নতুন এই শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা আরও ব

ইইউর গাড়িতে শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে ইইউভুক্ত দেশগুলোর গাড়ি ও ট্রাকে শুল্ক ১৫% থেকে বাড়িয়ে ২৫% করা হবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রেই ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর তৈরি গাড়ির ক্ষেত্রে এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।

ট্রাম্প অভিযোগ করেন, পূর্বে করা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে ইইউ ব্যর্থ হয়েছে, যার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইউরোপীয় কর্মকর্তারা দ্রুত এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বাণিজ্য কমিটির প্রধান বার্ন্ড ল্যাংগে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত এবং এর জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এর আগে স্কটল্যান্ডে হওয়া একটি চুক্তিতে বেশিরভাগ ইইউ পণ্যের ওপর ১৫% শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে গাড়িও ছিল। তবে সেই চুক্তি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায়নি। এর জন্য ইউরোপীয় কমিশন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন।

নতুন এই শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাম্প সম্প্রতি জার্মানি, ইতালি ও স্পেনসহ ইউরোপে মার্কিন সেনা কমানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও চাপের মুখে পড়েছে।


 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow