ইউজিসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন ড. মামুন আহমেদ
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর ১৫তম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে বুধবার (১৮ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
ইউজিসি’র বিদায়ী চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ নবনিযু্ক্ত চেয়ারম্যানের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এসময়ে ইউজিসি সদস্য ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ড. মো. সাইদুর রহমান, ড. মাছুমা হাবিব, ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন-১৯৭৩ অনুযায়ী ড. মামুন আহমেদকে আগামী চার বছরের জন্য কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গত ১৬ মার্চ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তার যোগদানের তারিখ থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্তানুযায়ী তিনি প্রচলিত বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর ১৫তম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষিতে বুধবার (১৮ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
ইউজিসি’র বিদায়ী চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ নবনিযু্ক্ত চেয়ারম্যানের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এসময়ে ইউজিসি সদস্য ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ড. মো. সাইদুর রহমান, ড. মাছুমা হাবিব, ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন-১৯৭৩ অনুযায়ী ড. মামুন আহমেদকে আগামী চার বছরের জন্য কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গত ১৬ মার্চ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তার যোগদানের তারিখ থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্তানুযায়ী তিনি প্রচলিত বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের এই অধ্যাপক ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বর্তমান পদে যোগদানের পূর্বে দেড় বছরেরও বেশি সময় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষা ও গবেষণায় সমানভাবে উজ্জ্বল ড. মামুন আহমেদ ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক এবং ১৯৯১ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৬ সালের ২৮ মার্চ প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার শিক্ষকতা জীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তিনি ১৯৯৭ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০০৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০০৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। মামুন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজিক্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টির ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি জাপানের নিহন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন থেকে ভাইরোলজিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ-এ ট্রান্সলেশনাল ও ক্লিনিক্যাল ভাইরোলজিতে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গের থমাস ই. স্টারজল ট্রান্সপ্লান্ট ইনস্টিটিউট এবং ইউনিভার্সিটি অফ নেব্রাস্কা, লিংকন-এ রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ড. মামুন স্নাতক পর্যায়ে সাধারণ জীবরসায়ন, বিশেষ করে ভাইরোলজি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মলিকুলার ডায়াগনস্টিকস পাঠদান করে আসছেন। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পিয়ার-রিভিউড জার্নালে প্রায় ৫৩টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র ট্রান্সলেশনাল মলিকুলার ভাইরোলজি ও ভাইরাল মলিকুলার ডায়াগনস্টিকস, যেখানে তিনি আধুনিক রোগনির্ণয় পদ্ধতির উদ্ভাবন ও ক্লিনিক্যাল প্রয়োগে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন।
দুই দশকেরও বেশি ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ ড. মামুন আহমেদ নতুন ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি উদ্ভাবন ও সেগুলোকে গবেষণাগার থেকে বাস্তব প্রয়োগে রূপান্তরের ক্ষেত্রে অনন্য দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। কোভিড-১৯ মহামারির সূচনালগ্ন থেকেই তিনি দেশে SARS-CoV-2 মোকাবিলায় সম্মুখসারির একজন নিবেদিতপ্রাণ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে আসছেন।
এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।