ইকনকে আর্থিক সহায়তা দিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক

দৈনিক কালবেলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকনকে নিয়ে মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের অসংখ্য হৃদয়বান মানুষ তার পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইকনের চিকিৎসা ও শিক্ষা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলা ১১টায় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ইকনের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নগদ অর্থ ও খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাউদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আতিয়া খাতুন এবং ইকনের মামা বাবু। সহায়তা পেয়ে ইকন ও তার পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং কালবেলায় প্রকাশিত সংবাদের পর এগিয়ে আসা দেশ-বিদেশের সকল শুভানুধ্যায়ীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দুপুরে মারা যান। ৪৬ বছর বয়সী ইসরাফিল জীবিকার তাগিদে মোটরসাইকেল চালিয়ে সংসার চালাতেন। ইকনের দাদার বাড়ি মূলত গ

ইকনকে আর্থিক সহায়তা দিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক

দৈনিক কালবেলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকনকে নিয়ে মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের অসংখ্য হৃদয়বান মানুষ তার পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইকনের চিকিৎসা ও শিক্ষা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলা ১১টায় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ইকনের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নগদ অর্থ ও খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাউদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আতিয়া খাতুন এবং ইকনের মামা বাবু।

সহায়তা পেয়ে ইকন ও তার পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং কালবেলায় প্রকাশিত সংবাদের পর এগিয়ে আসা দেশ-বিদেশের সকল শুভানুধ্যায়ীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দুপুরে মারা যান। ৪৬ বছর বয়সী ইসরাফিল জীবিকার তাগিদে মোটরসাইকেল চালিয়ে সংসার চালাতেন। ইকনের দাদার বাড়ি মূলত গোপালগঞ্জ। বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডে গাড়িচালকের চাকরির সুবাদে তিনি এই জেলা শহরে আসেন। অবসরের পর ইকনের দাদা গোপালগঞ্জ ফিরে গেলেও তার বাবা ইসরাফিল রয়ে যান বাগেরহাটে। মা আর মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইকে নিয়ে ৪ হাজার টাকার ভাড়া বাসায় তাদের বসবাস।

ইকনকে মঙ্গলবার রাতে এটিএম বুথে বই পড়তে দেখে এগিয়ে যান কালবেলার জেলা প্রতিনিধি। এরপর তার মুখেই শোনেন হৃদয়বিদারক এই ঘটনা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow