ইতালিতে পুলিশি হেফাজতে অভিবাসী নিহত, প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ
পুলিশি হেফাজতে এক অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর বোলোনিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ প্রথমে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা সহিংসতায় রূপ নিলে অন্তত ১১ জন আহত হন। মঙ্গলবার ইতালীয় বার্তা সংস্থা আনসা এ তথ্য জানিয়েছে। রোববার পুলিশি অভিযানের সময় মারা যান ৪২ বছর বয়সী মরক্কোর নাগরিক আব্দের রাহিম ফাকির। তার মৃত্যুর প্রতিবাদে সোমবার সন্ধ্যায় হাজারো মানুষ বোলোনিয়ায় সমাবেশে অংশ নেন। পরে বিক্ষোভকারীদের একাংশ পুলিশ সদর দপ্তরের দিকে মিছিল নিয়ে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, পেপার স্প্রে ও জলকামান ব্যবহার করে। অন্যদিকে, কিছু বিক্ষোভকারী বোতল, আতশবাজি ও বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করে। এ সময় শহরের কেন্দ্রে কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সমাবেশে ফাকিরের ভাতিজি ইওসরা ফাকির বলেন, আমাদের পরিবারের আহ্বান ঘৃণার নয়। আমরা সত্য, ন্যায়বিচার ও মর্যাদা দাবি করতে এখানে এসেছি। পরে ফাকিরের পরিবার সহিংসতা থেকে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকার ঘোষণা দেয়
পুলিশি হেফাজতে এক অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর বোলোনিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ প্রথমে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা সহিংসতায় রূপ নিলে অন্তত ১১ জন আহত হন। মঙ্গলবার ইতালীয় বার্তা সংস্থা আনসা এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার পুলিশি অভিযানের সময় মারা যান ৪২ বছর বয়সী মরক্কোর নাগরিক আব্দের রাহিম ফাকির। তার মৃত্যুর প্রতিবাদে সোমবার সন্ধ্যায় হাজারো মানুষ বোলোনিয়ায় সমাবেশে অংশ নেন। পরে বিক্ষোভকারীদের একাংশ পুলিশ সদর দপ্তরের দিকে মিছিল নিয়ে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, পেপার স্প্রে ও জলকামান ব্যবহার করে। অন্যদিকে, কিছু বিক্ষোভকারী বোতল, আতশবাজি ও বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করে। এ সময় শহরের কেন্দ্রে কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সমাবেশে ফাকিরের ভাতিজি ইওসরা ফাকির বলেন, আমাদের পরিবারের আহ্বান ঘৃণার নয়। আমরা সত্য, ন্যায়বিচার ও মর্যাদা দাবি করতে এখানে এসেছি।
পরে ফাকিরের পরিবার সহিংসতা থেকে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকার ঘোষণা দেয়। পরিবারের আইনজীবী ফাবিও আনসেলমো বলেন, যারা বোলোনিয়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, তারা ফাকিরের জন্য সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মানসিক সংকটে পড়ে ফাকির আক্রমণাত্মক আচরণ করলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। তাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে পেপার স্প্রে ব্যবহার করা হয় এবং পরে আটকের সময় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ইতালির প্রসিকিউটররা তদন্ত শুরু করেছেন। তদন্তের আওতায় রয়েছেন অভিযানে অংশ নেওয়া দুই পুলিশ সদস্য ও চারজন জরুরি সেবাকর্মী।
এ ঘটনাকে ঘিরে ইতালির রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলগুলো পূর্ণাঙ্গ বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানালেও ক্ষমতাসীন জোটের নেতারা তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?