ইবির প্রশাসনে রদবদলের গুঞ্জন, কে হচ্ছেন ভিসি-প্রোভিসি-ট্রেজারার?
জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক রদবদল হলেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এখনও বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে নিয়োগ পাওয়া বর্তমান প্রশাসকদের পরিবর্তন ও নতুন প্রশাসন গঠনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে-বাইরে সম্ভাব্য নতুন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে কয়েকজনের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী ও উপ-উপাচার্য হিসেবে ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম শরফরাজ নওয়াজের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী আরও কিছুদিন দায়িত্বে বহাল থাকতে পারেন। এদিকে চলতি সপ্তাহেই ইবিসহ আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সিভি শর্ট লিস্টের পর প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলে জা
জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক রদবদল হলেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এখনও বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে নিয়োগ পাওয়া বর্তমান প্রশাসকদের পরিবর্তন ও নতুন প্রশাসন গঠনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে-বাইরে সম্ভাব্য নতুন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে কয়েকজনের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী ও উপ-উপাচার্য হিসেবে ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম শরফরাজ নওয়াজের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী আরও কিছুদিন দায়িত্বে বহাল থাকতে পারেন।
এদিকে চলতি সপ্তাহেই ইবিসহ আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সিভি শর্ট লিস্টের পর প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলে জানা গেছে।
উপাচার্য হিসেবে আলোচনায় ড. মতিনুর
অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও ইউট্যাবের কার্যনির্বাহী সদস্য। তিনি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা এই অধ্যাপক ইবির প্রক্টর ও সাদ্দাম হোসেন হলের প্রভোস্ট হিসেবেও প্রশাসনিক দক্ষতা দেখিয়েছেন। ৫ আগস্টের পূর্বে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত ড. মতিনুর টেলিভিশন টকশোতেও একজন নিয়মিত মুখ। তার ৩৪টি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি নেপাল, ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন, সুইডেন, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।
উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদে আলোচনায় যারা
উপ-উপাচার্য হিসেবে আলোচনায় থাকা অধ্যাপক ড. এ এস এম শরফরাজ নওয়াজ বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সদস্যসচিব দায়িত্বপালন করেছন। বর্তমানে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা এই শিক্ষক নেতা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে বেশ প্রভাবশালী।
অন্যদিকে, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আলোচনায় থাকা অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী জিয়া পরিষদের সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমানে ইউট্যাবের ইবি শাখার সহ-সভাপতি। গবেষণামূলক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই শিক্ষক জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিক্ষক রাজনীতিতে সক্রিয়।
বহাল থাকতে পারেন বর্তমান উপ-উপাচার্য
এদিকে, বর্তমান উপ-উপাচার্য ও আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২ ডিসেম্বর চার বছর মেয়াদে নিয়োগ পান। বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদের এই প্রভাবশালী সদস্য বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশনজট ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের ধারণা, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি তার পদে বহাল থাকতে পারেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন প্রশাসন গঠন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও গতি আসবে। তবে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রণালয় থেকে কার হাতে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আসে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে ইবি পরিবার।
এমএন/জেআইএম
What's Your Reaction?