ইমেজ নষ্ট করতেই নির্বাচনের আগে ডিভোর্সের গুজব ছড়ানো হয়েছিল: বিজয়
জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা ও রাজনীতিক জোসেফ বিজয় অভিযোগ করেছেন, আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তার ডিভোর্স সংক্রান্ত খবর ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁস করা হয়েছিল, যাতে তার রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় ইঙ্গিত দিয়েছেন যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী প্রচারণার সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়গুলো ছড়িয়ে দিয়েছে, যা তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে টিভিকের প্রধান বিজয় বলেন, শুধু তার ডিভোর্স নয়, তার ঘনিষ্ঠদের সম্পর্কেও ‘মিথ্যা গুজব’ ছড়ানো হয়েছে একটি বৃহত্তর অপপ্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল ভোটারদের মনোযোগ ভিন্নদিকে সরিয়ে নেওয়া এবং নির্বাচনের আগে তার দলের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে দুর্বল করা। এর আগে খবর প্রকাশিত হয়, বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গিতা স্বর্ণালিঙ্গম দুই দশকেরও বেশি সময়ের বৈবাহিক সম্পর্কের পর ডিভোর্সের আবেদন করেছেন। এই খবর সামনে আসার পর থেকেই বিজয়কে নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে। এদিকে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে বিজয়
জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা ও রাজনীতিক জোসেফ বিজয় অভিযোগ করেছেন, আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তার ডিভোর্স সংক্রান্ত খবর ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁস করা হয়েছিল, যাতে তার রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় ইঙ্গিত দিয়েছেন যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী প্রচারণার সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়গুলো ছড়িয়ে দিয়েছে, যা তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা।
দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে টিভিকের প্রধান বিজয় বলেন, শুধু তার ডিভোর্স নয়, তার ঘনিষ্ঠদের সম্পর্কেও ‘মিথ্যা গুজব’ ছড়ানো হয়েছে একটি বৃহত্তর অপপ্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে। তিনি উল্লেখ করেন, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল ভোটারদের মনোযোগ ভিন্নদিকে সরিয়ে নেওয়া এবং নির্বাচনের আগে তার দলের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে দুর্বল করা।
এর আগে খবর প্রকাশিত হয়, বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গিতা স্বর্ণালিঙ্গম দুই দশকেরও বেশি সময়ের বৈবাহিক সম্পর্কের পর ডিভোর্সের আবেদন করেছেন। এই খবর সামনে আসার পর থেকেই বিজয়কে নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।
এদিকে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে বিজয়ের একাধিক জনসমক্ষে উপস্থিতির পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়, যা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার রাজনৈতিক দল টিভিকে গঠন করে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন ও ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো রাজ্যের ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠা রাজনৈতিক পরিস্থিতিরই প্রতিফলন, যেখানে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর চ্যালেঞ্জার হিসেবে তুলে ধরছেন।
যদিও বিজয় নির্দিষ্ট কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম উল্লেখ করেননি, তবে তিনি জানান, এসব ঘটনার মধ্যেও তিনি তার রাজনৈতিক লক্ষ্য ও কার্যক্রমের ওপরই মনোযোগ ধরে রেখেছেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
এসএএইচ
What's Your Reaction?