ইরানকে পরমাণু ইস্যুতে ছাড় দিতে রাজি ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখতে রাজি হয়, তবে তিনি সেটি গ্রহণ করবেন। শুক্রবার দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।  এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ২০ বছর যথেষ্ট। তবে তাদের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তাটা হতে হবে বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য। এর আগে ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, ইরানকে স্থায়ীভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধে সম্মত হতে হবে। তার ভাষায়, তিনি ভবিষ্যতের কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য এই সংকট রেখে যেতে চান না। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দুপক্ষ ছাড়া দিলে শান্তিপূর্ণ চুক্তি সম্ভব মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক অবস্থান নিয়ে তেহরানের সন্দেহ রয়েছে। তার মতে, দুই দেশের আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হলো যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে ইরানের অবিশ্বাস। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরাঘচি বলেন, আ

ইরানকে পরমাণু ইস্যুতে ছাড় দিতে রাজি ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখতে রাজি হয়, তবে তিনি সেটি গ্রহণ করবেন। শুক্রবার দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ২০ বছর যথেষ্ট। তবে তাদের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তাটা হতে হবে বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য।

এর আগে ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, ইরানকে স্থায়ীভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধে সম্মত হতে হবে। তার ভাষায়, তিনি ভবিষ্যতের কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য এই সংকট রেখে যেতে চান না।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দুপক্ষ ছাড়া দিলে শান্তিপূর্ণ চুক্তি সম্ভব মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক অবস্থান নিয়ে তেহরানের সন্দেহ রয়েছে। তার মতে, দুই দেশের আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হলো যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে ইরানের অবিশ্বাস।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরাঘচি বলেন, আমরা তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) আন্তরিকতা নিয়ে সন্দিহান। তবে যেই মুহূর্তে আমরা অনুভব করব যে তারা সত্যিই সিরিয়াস এবং একটি ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ চুক্তির জন্য প্রস্তুত, তখন অবশ্যই আমরা আলোচনা এগিয়ে নেব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow