ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ বললো উত্তর কোরিয়া

ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে “অবৈধ আগ্রাসন উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি দাবি করেছে, এ ঘটনায় ওয়াশিংটনের গ্যাংস্টারসুলভ আচরণ স্পষ্ট হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সম্পূর্ণভাবে অবৈধ আগ্রাসন এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ। পিয়ংইয়ং আরও অভিযোগ করে, দুই মিত্র দেশ নিজেদের স্বার্থপর ও আধিপত্যবাদী লক্ষ্য পূরণে সামরিক শক্তির অপব্যবহার করছে। উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওয়াশিংটন পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের বিষয়েও আলোচনা চলছে। কয়েক মাস ধরে এসব প্রস্তাবে তেমন সাড়া না দিলেও, চলতি সপ্তাহে কিম জং উন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অবস্থান মেনে নেয়, তাহলে দুই দেশ ভালোভাবে সহাবস্থান করতে পারে। সূত্র: এএফ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ বললো উত্তর কোরিয়া

ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে “অবৈধ আগ্রাসন উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি দাবি করেছে, এ ঘটনায় ওয়াশিংটনের গ্যাংস্টারসুলভ আচরণ স্পষ্ট হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান সম্পূর্ণভাবে অবৈধ আগ্রাসন এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ।

পিয়ংইয়ং আরও অভিযোগ করে, দুই মিত্র দেশ নিজেদের স্বার্থপর ও আধিপত্যবাদী লক্ষ্য পূরণে সামরিক শক্তির অপব্যবহার করছে।

উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওয়াশিংটন পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠকের বিষয়েও আলোচনা চলছে।

কয়েক মাস ধরে এসব প্রস্তাবে তেমন সাড়া না দিলেও, চলতি সপ্তাহে কিম জং উন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অবস্থান মেনে নেয়, তাহলে দুই দেশ ভালোভাবে সহাবস্থান করতে পারে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow