ইরানে হামলায় ব্যবহৃত বিমান ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্যবহৃত যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দ্য টেলিগ্রাফের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার ভোরের দিকে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে আগুন লাগে। এরপর ঘটনাস্থলে দ্রুত একাধিক দমকল ইউনিট মোতায়েন করা হয়।
রাতের ফুটেজে দেখা যায়, ঘাঁটির একটি খাদ্য ও সরঞ্জাম সরবরাহের দোকান থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ঘটনাস্থলের অন্য ছবিতে দেখা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার সময় ভবনটির ছাদ ধসে পড়ে।
তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া রয়্যাল এয়ার ফোর্সের কোনো বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চে যুক্তরাজ্য সরকার এই ঘাঁটিটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এখান থেকে মার্কিন বোমারু বিমান ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে।
১৯৪৪ সালে নির্মিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডি-ডে অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে লিবিয়ায় বিমান হামলায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি নাসার স্পেস শাটল কর্মসূচির জরুরি অবতর
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্যবহৃত যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দ্য টেলিগ্রাফের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার ভোরের দিকে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে আগুন লাগে। এরপর ঘটনাস্থলে দ্রুত একাধিক দমকল ইউনিট মোতায়েন করা হয়।
রাতের ফুটেজে দেখা যায়, ঘাঁটির একটি খাদ্য ও সরঞ্জাম সরবরাহের দোকান থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ঘটনাস্থলের অন্য ছবিতে দেখা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার সময় ভবনটির ছাদ ধসে পড়ে।
তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া রয়্যাল এয়ার ফোর্সের কোনো বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চে যুক্তরাজ্য সরকার এই ঘাঁটিটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এখান থেকে মার্কিন বোমারু বিমান ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে।
১৯৪৪ সালে নির্মিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডি-ডে অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে লিবিয়ায় বিমান হামলায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি নাসার স্পেস শাটল কর্মসূচির জরুরি অবতরণের জন্য যুক্তরাজ্যের একমাত্র নির্ধারিত রানওয়ে হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে।