ইরানের শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলা
ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এবার দেশটির একটি শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তেহরানের ওই হামলায় স্তব্ধ স্থানীয়রা। হামলার শিকার পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরান ১৯২০ সালে তেহরানে প্রতিষ্ঠিত হয়। চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রটি বেশ সমাদৃত। বৃহস্পতিবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর জানান, হামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ইনস্টিটিউটটি বিশ্ব স্বাস্থ্যের শতবর্ষী এক স্তম্ভ এবং আন্তর্জাতিক পাস্তুর নেটওয়ার্কের সদস্য। পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানের ওপর এই আগ্রাসন জেনেভা কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইরানি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত ওই চিকিৎসা কেন্দ্রের কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, ভবনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এর কিছু অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কেরমানপুর বলেন, ওই শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ’। এই হামলা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত। তবে যুক্তর
ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এবার দেশটির একটি শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তেহরানের ওই হামলায় স্তব্ধ স্থানীয়রা।
হামলার শিকার পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরান ১৯২০ সালে তেহরানে প্রতিষ্ঠিত হয়। চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রটি বেশ সমাদৃত।
বৃহস্পতিবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হোসেন কেরমানপুর জানান, হামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ইনস্টিটিউটটি বিশ্ব স্বাস্থ্যের শতবর্ষী এক স্তম্ভ এবং আন্তর্জাতিক পাস্তুর নেটওয়ার্কের সদস্য। পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরানের ওপর এই আগ্রাসন জেনেভা কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইরানি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত ওই চিকিৎসা কেন্দ্রের কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, ভবনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং এর কিছু অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
কেরমানপুর বলেন, ওই শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ’। এই হামলা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল হামলার দায় স্বীকার করেনি। এ প্রসঙ্গে তাদের কাছ থেকে কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?