ইরানের সঙ্গে আস্থা পুনর্গঠনে দীর্ঘ সময় লাগবে : আরব আমিরাতের উপদেষ্টা
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনে ‘অনেক অনেক সময়’ লাগবে। ফ্রান্সের প্যারিসের কাছে শঁতিলি শহরে আয়োজিত বিশ্ব নীতি সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। গারগাশ বলেন, ‘আপনার ওপর ২,৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হবে, এরপর আবার আস্থার কথা বলা হবে, এটা সম্ভব নয়। আস্থা ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে।’ ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জেরে এই সংঘাত শুরু হয়। এরপর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়, যার মধ্যে আমিরাতও ছিল। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে নতুন করে হামলা হয়েছে। এবার প্রতিবেশী ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন কুয়েতে আঘাত হানে। দেশটির উত্তর সীমান্তের সেনা পোস্টগুলো লক্ষ্য করে হামলাটি করা হয়। কুয়েতের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার সকালে বিস্ফোরক বোঝাই দুটি ড্রোন ফাইবার-অপটিক কেবল দিয়ে ন
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনে ‘অনেক অনেক সময়’ লাগবে।
ফ্রান্সের প্যারিসের কাছে শঁতিলি শহরে আয়োজিত বিশ্ব নীতি সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।
গারগাশ বলেন, ‘আপনার ওপর ২,৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হবে, এরপর আবার আস্থার কথা বলা হবে, এটা সম্ভব নয়। আস্থা ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে।’
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জেরে এই সংঘাত শুরু হয়। এরপর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়, যার মধ্যে আমিরাতও ছিল।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে নতুন করে হামলা হয়েছে। এবার প্রতিবেশী ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন কুয়েতে আঘাত হানে। দেশটির উত্তর সীমান্তের সেনা পোস্টগুলো লক্ষ্য করে হামলাটি করা হয়।
কুয়েতের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার সকালে বিস্ফোরক বোঝাই দুটি ড্রোন ফাইবার-অপটিক কেবল দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়ে সীমান্ত পোস্টে আঘাত হানে। এতে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে, তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সামরিক বাহিনী এ ঘটনাকে অপরাধমূলক আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং জানিয়েছে, ড্রোন দুটি ইরাক থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
What's Your Reaction?