ইসরায়েলকেও এই শান্তি প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে: জেডি ভ্যান্স

‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে তাদেরও অন্য সবার মতোই এই শান্তি প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের মনোভাব সম্পর্কে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা মনে হয় একটি চুক্তির মাধ্যমে বড় ধরনের সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে আছি, আর ঠিক তখনই বৈরুতের কোনো বেসামরিক জনবহুল এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটছে। এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’ আরও পড়ুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ১৪ দফায় যা আছে ভ্যান্স বলেন, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং এমন একটি আঞ্চলিক কাঠামো চান, যা হিজবুল্লাহর কাছে অর্থ পৌঁছানো বন্ধ করতে পারে। এছাড়া, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পই পুরো বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান, যিনি এই মুহূর্তে ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি সহানুভূতিশীল’ বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ‍ও ইরানের মধ্যে বহুল আলোচিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। ১৪ দফার এই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো কিছু বিষয় পরবর্তী আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। তবে এতে

ইসরায়েলকেও এই শান্তি প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে: জেডি ভ্যান্স

‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে তাদেরও অন্য সবার মতোই এই শান্তি প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের মনোভাব সম্পর্কে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা মনে হয় একটি চুক্তির মাধ্যমে বড় ধরনের সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে আছি, আর ঠিক তখনই বৈরুতের কোনো বেসামরিক জনবহুল এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটছে। এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’

ভ্যান্স বলেন, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় এবং এমন একটি আঞ্চলিক কাঠামো চান, যা হিজবুল্লাহর কাছে অর্থ পৌঁছানো বন্ধ করতে পারে।

এছাড়া, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পই পুরো বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান, যিনি এই মুহূর্তে ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি সহানুভূতিশীল’ বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ‍ও ইরানের মধ্যে বহুল আলোচিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। ১৪ দফার এই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো কিছু বিষয় পরবর্তী আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। তবে এতে দেশটিকে আর্থিকভাবে সহায়তার বিপুল প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আটকে থাকা অর্থ ছেড়ে দেওয়াসহ বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow