ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল ইরান

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলি বাহিনীর ‘হা’এলা স্যাটেলাইট’ যোগাযোগ কেন্দ্রটি ধ্বংস করে দিয়েছে। খবর তাসনিম নিউজের। আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রটি ছিল জায়নবাদী শাসনের যুদ্ধবিমানগুলোর সঙ্গে বিমানঘাঁটিগুলোর যোগাযোগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি বিশেষ অভিযানে আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে এটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই স্থাপনাটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার এবং বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে প্রচুর হতাহতের পাশাপাশি অবকা

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল ইরান

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলি বাহিনীর ‘হা’এলা স্যাটেলাইট’ যোগাযোগ কেন্দ্রটি ধ্বংস করে দিয়েছে। খবর তাসনিম নিউজের।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রটি ছিল জায়নবাদী শাসনের যুদ্ধবিমানগুলোর সঙ্গে বিমানঘাঁটিগুলোর যোগাযোগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি বিশেষ অভিযানে আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে এটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই স্থাপনাটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার এবং বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই অভিযানে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে প্রচুর হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
 
এর প্রতিক্রিয়ায়, ইরানি সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। তারা অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন থাকা মার্কিনঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow