চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘ঈদ বখশিশ’র নামে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও গ্রামীণ রুটে চলাচল করা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রীদের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা লেগেই আছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) ঈদের তৃতীয় দিনেও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের আগের দিন থেকে সব যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া শুরু হয়। তখন থেকে ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নিতে দেখা গেছে। উত্তরা পরিবহনের বাসে মিরসরাই সদর থেকে বারইয়ারহাট পর্যন্ত বাস ভাড়া ২০ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ৩০ টাকা। বারইয়ারহাট থেকে মিঠাছড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া ৩০ টাকা, এখন নিচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। এভাবে উপজেলার অভ্যন্তরীণ প্রায় অর্ধশত রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
ফখরুল ইসলাম নামে উত্তরা বাসের এক যাত্রী বলেন, ঈদের দিন ঈদ বখশিশ নিতে পারে। কিন্তু তিনদিন পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া এক ধরনের চাঁদাবাজি।
সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী ইমাম হোসেন বলেন, মিঠাছড়া থেকে মিরসরাইয়ের ভাড়া ১০ টাকা। এখন নিচ্ছে ২০ টাকা। বড়জোর ঈদ উপলক্ষে ৫ টাকা বেশি নিতে পারে। ডাবল ভাড়া নেওয়া ঠিক হচ্ছে না।
অনেক যাত্রী অভিযোগ করেন, ঈদে বারইয়ারহাট-চট্টগ্রামের মাদারবাড়ি রুটে চলাচল করা চয়েস পরিবহনের বাসে ১৩০ টাকার ভাড়া ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এরা সবসময় অতিরিক্ত ভাড়া নেয়। কিন্তু এদের বাসের সিটগুলো ছোট, বসতে অনেক কষ্ট হয়।
উত্তরা পরবহনের বাসচালক জসীম উদ্দিন বলেন, ঈদ উপলক্ষে কেউ যদি ৫-১০ টাকা বাড়িয়ে দেয় তাহলে নিতে বলেছি। যদি না দেয় জোর করা হয় না। সবকিছু বেশি দামে কিনতে পারে, গাড়ি ভাড়া একটু বাড়িয়ে দিতে কষ্ট হয় সবার।
মিরসরাই সিএনজি অটোরিকশা চালক সমিতির সভাপতি খানসাব বলেন, ঈদ উপলক্ষে হয়তো কেউ কেউ একটু বেশি ভাড়া নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে আর বেশি ভাড়া নেবে না।
এম মাঈন উদ্দিন/এফএ/এএসএম