ঈদে অতিভোজনে পাইলস বাড়তে পারে, সাবধান থাকুন
ঈদ মানেই আনন্দ, পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো আর নানা রকম মুখরোচক খাবারের আয়োজন। তবে উৎসবের এই সময়টাতে অনিয়ন্ত্রিত খাবার খাওয়া অনেকের জন্য ডেকে আনতে পারে শারীরিক অস্বস্তি। বিশেষ করে যারা পাইলস বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য অতিভোজন হতে পারে বড় ঝুঁকির কারণ। একটু অসতর্ক হলেই বেড়ে যেতে পারে ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও রক্তপাতের মতো সমস্যা। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলস রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে; এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি খাবেন। বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলস রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে; এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি খাবেন। কেন ঈদে পাইলসের সমস্যা বাড়ে? ঈদের কয়েকদিনে সাধারণত খাবারের ধরনে বড় পরিবর্তন আসে।
ঈদ মানেই আনন্দ, পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো আর নানা রকম মুখরোচক খাবারের আয়োজন। তবে উৎসবের এই সময়টাতে অনিয়ন্ত্রিত খাবার খাওয়া অনেকের জন্য ডেকে আনতে পারে শারীরিক অস্বস্তি। বিশেষ করে যারা পাইলস বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য অতিভোজন হতে পারে বড় ঝুঁকির কারণ। একটু অসতর্ক হলেই বেড়ে যেতে পারে ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও রক্তপাতের মতো সমস্যা।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলস রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে; এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি খাবেন।
বেশি মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এনাল ফিশার ও পাইলস রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে; এমনকি পায়ুপথে রক্তক্ষরণও হতে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি খাবেন।
কেন ঈদে পাইলসের সমস্যা বাড়ে?
ঈদের কয়েকদিনে সাধারণত খাবারের ধরনে বড় পরিবর্তন আসে। অতিরিক্ত গরু বা খাসির মাংস, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কম পানি পান এবং অনিয়মিত ঘুম-সব মিলিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়, আর দীর্ঘ সময় চাপ দিয়ে মলত্যাগ করতে গেলে পাইলসের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অনেকেই ঈদের ব্যস্ততায় শাকসবজি, ফলমূল বা আঁশযুক্ত খাবার কম খান। ফলে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন
- মলত্যাগের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া
- মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া
- মলদ্বারের আশপাশে ফোলা বা অস্বস্তি
- দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসেও স্বস্তি না পাওয়া
- কোষ্ঠকাঠিন্য বা শক্ত মল হওয়া
এসব উপসর্গ বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুন:
- শিশুর ভবিষ্যৎ ও মায়ের সুরক্ষায় বুকের দুধের জাদু
- ঈদযাত্রায় প্রয়োজনীয় যেসব ওষুধ সঙ্গে রাখবেন
- ঈদের খাবারে মেনে চলুন স্বাস্থ্যবিধি
পাইলসের ঝুঁকি কমাতে কী করবেন?
- পরিমিত খাবার খান: ঈদে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার বদলে খাবারের তালিকায় সালাদ, ডাল ও সবজি রাখুন।
- প্রচুর পানি পান করুন: পর্যাপ্ত পানি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং মল নরম রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।
- আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান: পেঁপে, কলা, আপেল, শসা, ওটস, লাউ, শাকসবজি ও ডালজাতীয় খাবার হজম ভালো রাখতে সাহায্য করে। আঁশযুক্ত খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কার্যকর।
- দীর্ঘ সময় বসে থাকবেন না: অনেক সময় আড্ডা বা ভ্রমণে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে পাইলসের অস্বস্তি বাড়ে। তাই মাঝেমধ্যে হাঁটাচলা করুন।
- টয়লেটের চাপ আটকে রাখবেন না: প্রকৃতির ডাক এলে দেরি না করে টয়লেটে যান। দীর্ঘ সময় মল আটকে রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে।
- অতিরিক্ত ঝাল ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত মসলা ও তেলযুক্ত খাবার অনেকের ক্ষেত্রে মলদ্বারে জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দেয়। তাই খাবার নির্বাচনে সচেতন থাকুন।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
যদি নিয়ম মেনে চলার পরও ব্যথা, রক্তপাত বা ফোলা কমে না যায়, তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অনেক সময় পাইলস ছাড়াও অন্য জটিল রোগের কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে হলে শরীরের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। একটু সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ম মেনে চললে পাইলস বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই উৎসবের আনন্দে অতিভোজন নয়, বরং পরিমিত খাবার আর স্বাস্থ্যকর অভ্যাসেই কাটুক সুস্থ ও স্বস্তির ঈদ।
জেএস/
What's Your Reaction?