ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিলেই পূর্ণতা পায় : ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার
সিলেটে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের অর্থায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ উপলক্ষে খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করে বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সিলেট। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অনিরুদ্ধ দাস বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুরক্ষাহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়। এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তারা। এছাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংস্কৃতিকর্মী রীমা দাস এবং সমাজসেবা দপ্তরের কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি শেষে আয়োজনে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সিলেটের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সহকারী হাইকমিশনার। এ সময়
সিলেটে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের অর্থায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ উপলক্ষে খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করে বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সিলেট।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অনিরুদ্ধ দাস বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুরক্ষাহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়। এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তারা। এছাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংস্কৃতিকর্মী রীমা দাস এবং সমাজসেবা দপ্তরের কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি শেষে আয়োজনে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সিলেটের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সহকারী হাইকমিশনার।
এ সময় সংগঠনটির বিভিন্ন ব্যাচের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ২০১৮ ব্যাচের তাওরেম রাতুল সিনহা, ২০২২ ব্যাচের জান্নাতুল নাজনীন আশা ও উত্তম কাব্য এবং ২০২৩ ব্যাচের দেবজ্যোতি চৌধুরী, স্বপ্নীলা চৌধুরী, অনিক সিনহা ও জয়িতা বণিক উল্লেখযোগ্য।
উল্লেখ্য, ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেশন টু ইন্ডিয়া’ কর্মসূচিটি ২০১২ সালে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি-এর উদ্যোগে শুরু হয়। প্রতিবছর এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রের মেধাবী তরুণ-তরুণীদের নির্বাচন করে ভারত সফরের সুযোগ দেওয়া হয়। এ সফরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ভারত-বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা লাভের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে থাকেন।
What's Your Reaction?