ঈদের ছুটিতে ঢাকার কাছাকাছি যেখানে ঘুরতে যাবেন
ঈদের ছুটি শুরু হলেই ঢাকার কোলাহল অনেকটা কমে আসে। ব্যস্ত নগর জীবনের বাইরে এই সময়টুকুতে অনেকেই খুঁজে নেন একটু স্বস্তি আর প্রশান্তি। দীর্ঘ ভ্রমণের ঝামেলা এড়িয়ে অল্প সময় ও কম খরচে কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসার প্রবণতা এখন বেশ বেড়েছে। পরিবার বা প্রিয়জনদের সঙ্গে একদিনের ছোট্ট ভ্রমণ হয়ে উঠতে পারে দারুণ স্মৃতি। উদয়পুর ডেস্টিনেশন, ফুল আর প্রকৃতির মায়াঈদের ছুটিতে ঢাকায় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন উদয়পুর ডেস্টিনেশনে। এখানে পৌঁছাতেই আপনাকে স্বাগত জানাবে রঙিন পিটুনিয়া ফুলের সমারোহ। সাদা রঙের রাজকীয় ভবন, মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাঠের দোতলা ঘর এবং বিস্তৃত সবুজ মাঠ মিলিয়ে জায়গাটি যেন এক স্বপ্নের জগৎ। শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই নয়, এখানে রয়েছে আধুনিক সুবিধা ও শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা। কোনো প্রবেশমূল্য ছাড়াই শুধু খাবার অর্ডার করেই উপভোগ করা যায় এই মনোরম পরিবেশ। বাড্ডার ১০০ ফিট মাদানী অ্যাভিনিউ হয়ে সহজেই পৌঁছানো যায়। সোনারগাঁ ও পানাম নগরইতিহাসপ্রেমীদের জন্য সোনারগাঁয়ের পানাম নগর একটি অনন্য গন্তব্য। পুরোনো দিনের স্থাপত্য ও নিরিবিলি পরিবেশ এখানে এনে দেয় ভিন্ন এক অনুভূতি। একই সঙ্গে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর ঘুরে দেশ
ঈদের ছুটি শুরু হলেই ঢাকার কোলাহল অনেকটা কমে আসে। ব্যস্ত নগর জীবনের বাইরে এই সময়টুকুতে অনেকেই খুঁজে নেন একটু স্বস্তি আর প্রশান্তি। দীর্ঘ ভ্রমণের ঝামেলা এড়িয়ে অল্প সময় ও কম খরচে কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসার প্রবণতা এখন বেশ বেড়েছে। পরিবার বা প্রিয়জনদের সঙ্গে একদিনের ছোট্ট ভ্রমণ হয়ে উঠতে পারে দারুণ স্মৃতি।
উদয়পুর ডেস্টিনেশন, ফুল আর প্রকৃতির মায়া
ঈদের ছুটিতে ঢাকায় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন উদয়পুর ডেস্টিনেশনে। এখানে পৌঁছাতেই আপনাকে স্বাগত জানাবে রঙিন পিটুনিয়া ফুলের সমারোহ। সাদা রঙের রাজকীয় ভবন, মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কাঠের দোতলা ঘর এবং বিস্তৃত সবুজ মাঠ মিলিয়ে জায়গাটি যেন এক স্বপ্নের জগৎ।
শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই নয়, এখানে রয়েছে আধুনিক সুবিধা ও শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা। কোনো প্রবেশমূল্য ছাড়াই শুধু খাবার অর্ডার করেই উপভোগ করা যায় এই মনোরম পরিবেশ। বাড্ডার ১০০ ফিট মাদানী অ্যাভিনিউ হয়ে সহজেই পৌঁছানো যায়।
সোনারগাঁ ও পানাম নগর
ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য সোনারগাঁয়ের পানাম নগর একটি অনন্য গন্তব্য। পুরোনো দিনের স্থাপত্য ও নিরিবিলি পরিবেশ এখানে এনে দেয় ভিন্ন এক অনুভূতি। একই সঙ্গে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর ঘুরে দেশের ঐতিহ্যকে আরও কাছ থেকে জানার সুযোগ পাওয়া যায়।
মৈনট ঘাট, মিনি কক্সবাজার
প্রকৃতির টানে যারা একটু দূরে যেতে চান, তারা ঘুরে আসতে পারেন দোহার এলাকার মৈনট ঘাটে। পদ্মা নদীর তীরে বিস্তৃত বালুচর আর খোলা আকাশ, সব মিলিয়ে জায়গাটি ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে পরিচিত। এখানে বসে সূর্যাস্ত দেখা কিংবা নদীর পাড়ে সময় কাটানো ভ্রমণকে করে তোলে আনন্দদায়ক।
গাজীপুর সাফারি পার্ক
প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর প্রতি আগ্রহ থাকলে গাজীপুর সাফারি পার্ক যেতে পারেন। বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা এই পার্কে প্রাণীরা খাঁচায় বন্দি নয়, বরং উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণ করে। সুরক্ষিত যানবাহনে বসে বাঘ, সিংহ, জিরাফসহ নানা প্রাণীকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুন। এছাড়া এখানে রয়েছে পাখিশালা, প্রজাপতি পার্ক এবং শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদন ব্যবস্থা, যা পুরো ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলে।
সারিঘাট যেন প্রকৃতি ও অ্যাডভেঞ্চারের মিশেল
কেরানীগঞ্জের সারিঘাটও এখন জনপ্রিয় ভ্রমণস্থানের একটি। শান্ত খালের দুই পাশে সারি সারি কড়ইগাছ জায়গাটির সৌন্দর্যকে অন্য মাত্রা দেয়। এখানে কায়াকিং কিংবা নৌকায় ঘোরার সুযোগ থাকায় প্রকৃতির পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদও পাওয়া যায়।
ঢাকার ভেতরেই ঘুরে দেখুন
যারা দূরে যেতে চান না, তাদের জন্য ঢাকার মধ্যেই রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্থান। আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, হাতিরঝিল, রমনা পার্ক এবং জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় ঈদের সময় ভিড় জমে। সহজ যোগাযোগ, কম খরচ এবং অল্প সময়েই ঘুরে আসার সুবিধা থাকায় এসব জায়গার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
ঈদের ছুটি মানেই দূরে কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন নেই। শহরের কাছেই এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে অল্প সময়েই পাওয়া যায় প্রশান্তি ও আনন্দ। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে এই ছোট্ট ভ্রমণগুলোই হয়ে উঠতে পারে ঈদের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি।
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?