ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া
মুসলিমদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বৃহস্পতিবার (২৮ মে) উদযাপিত হবে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় দেশে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর প্রবল শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই সময়ে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে সাগরে লঘুচাপ সক্রিয় থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সিলেট বিভাগে, যেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।
ময়মনসিংহ: ৩৪০–৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম: ৩৩০–৩৫০ মিলিমিটার, রংপুর: ২৬০–২৮০ মিলিমিটার, ঢাকা: ২৫০–২৭০ মিলিমিটার, বরিশাল: ২২০–২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী: ১৭০–১৯০ মিলিমিটার ও খুলনা: ১৬০–১৮০ মিলিমিটার।
মুসলিমদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বৃহস্পতিবার (২৮ মে) উদযাপিত হবে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় দেশে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর প্রবল শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই সময়ে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে সাগরে লঘুচাপ সক্রিয় থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সিলেট বিভাগে, যেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।
ময়মনসিংহ: ৩৪০–৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম: ৩৩০–৩৫০ মিলিমিটার, রংপুর: ২৬০–২৮০ মিলিমিটার, ঢাকা: ২৫০–২৭০ মিলিমিটার, বরিশাল: ২২০–২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী: ১৭০–১৯০ মিলিমিটার ও খুলনা: ১৬০–১৮০ মিলিমিটার।