ঈশানের প্রত্যাবর্তন আর তিলকের তাণ্ডবে নতুন রেকর্ড ভারতের
ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যর্থতার ধাক্কা সামলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। গৌতম গম্ভীরের অনুপস্থিতিতে ভিভিএস লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে জিম্বাবুয়ে সফরে থাকা ভারতীয় দল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের নামে করে নিল। তরুণদের সুযোগ দিলেও দলে খুব বেশি পরিবর্তনের পথে হাঁটেননি ভারপ্রাপ্ত কোচ লক্ষ্মণ। দ্বিতীয় ম্যাচে একমাত্র পরিবর্তন হিসেবে অশোক শর্মার জায়গায় অভিষেক হয় পেসার যশ ঠাকুরের। হারারেতে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। শুরুতে ভারতীয় ব্যাটারদের কিছুটা চাপে ফেললেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ের বোলিং আক্রমণ। ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী মাত্র ৯ বলে ২০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। যদিও এদিন ব্যর্থ হন অভিষেক শর্মা, মাত্র ৮ রান করে ফিরতে হয় তাকে। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও ভাল শুরু করেও ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি। এরপর ভারতের ইনিংস টানেন ঈশান কিষান। দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফিরে নিজের প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে রাখেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৪৪ বলে ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যা
ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যর্থতার ধাক্কা সামলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। গৌতম গম্ভীরের অনুপস্থিতিতে ভিভিএস লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে জিম্বাবুয়ে সফরে থাকা ভারতীয় দল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের নামে করে নিল। তরুণদের সুযোগ দিলেও দলে খুব বেশি পরিবর্তনের পথে হাঁটেননি ভারপ্রাপ্ত কোচ লক্ষ্মণ। দ্বিতীয় ম্যাচে একমাত্র পরিবর্তন হিসেবে অশোক শর্মার জায়গায় অভিষেক হয় পেসার যশ ঠাকুরের।
হারারেতে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। শুরুতে ভারতীয় ব্যাটারদের কিছুটা চাপে ফেললেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ের বোলিং আক্রমণ। ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী মাত্র ৯ বলে ২০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। যদিও এদিন ব্যর্থ হন অভিষেক শর্মা, মাত্র ৮ রান করে ফিরতে হয় তাকে। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও ভাল শুরু করেও ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি।
এরপর ভারতের ইনিংস টানেন ঈশান কিষান। দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফিরে নিজের প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে রাখেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৪৪ বলে ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ৯টি চার ও ২টি ছক্কা। ঈশানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করেন তিলক ভার্মাও। মাত্র ২৯ বলে অপরাজিত ৬০ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। দুই ব্যাটারের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত।
২০২৬ সালে এটি ভারতের নবম ২০০ বা দুই শর বেশি রানের ইনিংস। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে এক ক্যালেন্ডার বর্ষে এটি সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৪ সালে ভারতই নয়বার এই কীর্তি গড়েছিল। ২০২৪ ও ২০২৬—দুটিই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বছর। দুই আসরের চ্যাম্পিয়নও ভারত। সেবার মোট ২৬ ম্যাচ খেলে নয়বার দুই শ ছুঁয়েছিল রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দল। এবার বিশ্বকাপের পর সূর্যকুমারের জায়গায় নেতৃত্বে এসেছেন শ্রেয়াস আইয়ার।
জবাবে ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় জিম্বাবোয়ে। ব্রায়ান বেনেট ১৯ বলে ৩২ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা যথেষ্ট ছিল না। ওয়েসলি মাধেভেরে করেন ২৪ রান। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবোয়ের ইনিংস।
৯০ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করল ভারত। ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরের ব্যর্থতার পর এই জয় নিঃসন্দেহে শ্রেয়স আইয়ারদের শিবিরে নতুন আত্মবিশ্বাস জোগাবে।
What's Your Reaction?