উত্তরায় জেসিআই বাংলাদেশের ‘স্যুক-এ-রমাদান’ সম্পন্ন

ঢাকার উত্তরার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘স্যুক-এ-রমাদান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেসিআই বাংলাদেশ ও লাক্স বাংলাদেশ যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে।  শুক্র-শনিবার (১৩ ও ১৪ মার্চ) স্কাইবাই এ আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে। দু’দিনব্যাপী এ মেলায় ১৫ হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। পরিবার ও বন্ধুরা মেলা প্রাঙ্গণে স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। এ মেলায় ১৫০টি স্টল অংশ নেয়। স্টলগুলোতে ফ্যাশন পণ্য, গয়না, হাতে তৈরি সামগ্রী এবং খাবার প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হয়। প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তারা এখানে পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পান। অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা মেলায় পণ্য বিক্রয় এবং ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করেন। মেলার কর্মসূচিতে কাওয়ালি গান ও বাঁশি বাজানোর আয়োজন ছিল। শিশুদের জন্য ছিল ম্যাজিক শো এবং পুতুল নাচ। মেলায় আগত নারীরা মেহেদি কর্নারে হাতে নকশা করার সুযোগ পান। তরুণদের জন্য ভিআর গেমসের ব্যবস্থা রাখা হয়। সন্ধ্যার পর মেলা প্রাঙ্গণে আলোকসজ্জার মাঝে কেনাকাটা ও আড্ডা চলে। এছাড়াও আয়োজনের অংশ হিসেবে জেসিআই বাংলাদেশের সদস্যদের জন্য ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীরা অংশ নেন।

উত্তরায় জেসিআই বাংলাদেশের ‘স্যুক-এ-রমাদান’ সম্পন্ন

ঢাকার উত্তরার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ‘স্যুক-এ-রমাদান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেসিআই বাংলাদেশ ও লাক্স বাংলাদেশ যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে। 

শুক্র-শনিবার (১৩ ও ১৪ মার্চ) স্কাইবাই এ আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে। দু’দিনব্যাপী এ মেলায় ১৫ হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। পরিবার ও বন্ধুরা মেলা প্রাঙ্গণে স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।

এ মেলায় ১৫০টি স্টল অংশ নেয়। স্টলগুলোতে ফ্যাশন পণ্য, গয়না, হাতে তৈরি সামগ্রী এবং খাবার প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হয়। প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তারা এখানে পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পান। অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা মেলায় পণ্য বিক্রয় এবং ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করেন।

মেলার কর্মসূচিতে কাওয়ালি গান ও বাঁশি বাজানোর আয়োজন ছিল। শিশুদের জন্য ছিল ম্যাজিক শো এবং পুতুল নাচ। মেলায় আগত নারীরা মেহেদি কর্নারে হাতে নকশা করার সুযোগ পান। তরুণদের জন্য ভিআর গেমসের ব্যবস্থা রাখা হয়। সন্ধ্যার পর মেলা প্রাঙ্গণে আলোকসজ্জার মাঝে কেনাকাটা ও আড্ডা চলে।

এছাড়াও আয়োজনের অংশ হিসেবে জেসিআই বাংলাদেশের সদস্যদের জন্য ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। এ আয়োজনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি এবং স্থানীয় ব্যবসার প্রসারে কাজ করা হয়েছে। 

এ কর্মসূচির মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ, স্থানীয় ব্যবসার কার্যক্রম এবং রমজানকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক আয়োজন একত্রে উপস্থাপন করা হয়। আয়োজনে দর্শনার্থী, স্টল মালিক ও অংশীদারদের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow