উপজেলা যুবলীগ সভাপতিসহ ৩ জন কারাগারে
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সানাউল হকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১২ মে) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তারা হলেন— গৌরীপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সানাউল হক (৪৮), পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান সেন্টু (৪৪) এবং মইলাকান্দা ইউনিয়নের নওপাই গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে জজ মিয়া (৪০)।
জানা গেছে, গত সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরীপুর পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানে মাদকসেবন ও ইয়াবা সংরক্ষণের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর যুবরাজ দাস বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১২ মে) গৌরীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর আটক তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সানাউল হকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১২ মে) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তারা হলেন— গৌরীপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সানাউল হক (৪৮), পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান সেন্টু (৪৪) এবং মইলাকান্দা ইউনিয়নের নওপাই গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে জজ মিয়া (৪০)।
জানা গেছে, গত সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরীপুর পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানে মাদকসেবন ও ইয়াবা সংরক্ষণের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর যুবরাজ দাস বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১২ মে) গৌরীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর আটক তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি (উত্তর) সাজ্জাদ রোমন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হাবিবুর রহমান সেন্টুর বিরুদ্ধে আগে একটি এবং জজ মিয়ার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রয়েছে। তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।