ঋণে জর্জরিত হয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ঋণে জর্জরিত হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামের নিজ বাড়ির বাইরে কামরাঙা গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। মৃত ওই শিক্ষকের নাম বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮)। তিনি উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি রায় ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার ও স্থানীয় লোকজন। তাই ঋণের বোঝা বইতে না পেরে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে বাবা-মার কবরের পাশের কামরাঙা গাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে সকালে এলাকাবাসী গাছে তার মরদেহ ঝুলে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। এসআই মোসলেম আরও বলেন, পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এছাড়া মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ

ঋণে জর্জরিত হয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ঋণে জর্জরিত হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামের নিজ বাড়ির বাইরে কামরাঙা গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

মৃত ওই শিক্ষকের নাম বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮)। তিনি উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি রায় ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার ও স্থানীয় লোকজন। তাই ঋণের বোঝা বইতে না পেরে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে বাবা-মার কবরের পাশের কামরাঙা গাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে সকালে এলাকাবাসী গাছে তার মরদেহ ঝুলে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়।

এসআই মোসলেম আরও বলেন, পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এছাড়া মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow