ঋণের সীমা বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশের ব্যাংক খাতের বড় ঋণগ্রহীতা বা শিল্প গ্রুপগুলোর জন্য ঋণের সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কোনো একক ব্যক্তি বা গ্রুপকে ব্যাংক তাদের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। এতদিন এই সীমা ছিল ১৫ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে টানা চারদিন ধরে বাজার থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইসঙ্গে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং রিজার্ভে উন্নতির ফলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১১ মে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ মে ২ কোটি ডলার, ১৩ মে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং ১৪ মে ৪ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এতে মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই মোট ডলার ক্রয় দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি (২১০ মিলিয়ন) ডলার। এর আগে ৫ মে আরও ৫০ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছিল। প্রবাসী আয়েও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে এসেছে ১.৭৪৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭.৫ শতাংশ বেশি। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ১৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্
দেশের ব্যাংক খাতের বড় ঋণগ্রহীতা বা শিল্প গ্রুপগুলোর জন্য ঋণের সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কোনো একক ব্যক্তি বা গ্রুপকে ব্যাংক তাদের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। এতদিন এই সীমা ছিল ১৫ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে টানা চারদিন ধরে বাজার থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইসঙ্গে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং রিজার্ভে উন্নতির ফলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১১ মে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ মে ২ কোটি ডলার, ১৩ মে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং ১৪ মে ৪ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এতে মে মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই মোট ডলার ক্রয় দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি (২১০ মিলিয়ন) ডলার। এর আগে ৫ মে আরও ৫০ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছিল।
প্রবাসী আয়েও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে এসেছে ১.৭৪৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭.৫ শতাংশ বেশি। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ১৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৩১.৭৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০.৪ শতাংশ বেশি।
ব্যাংকারদের মতে, বৈধ চ্যানেলে প্রণোদনা, হুন্ডি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ রেমিট্যান্স বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১২ মে পর্যন্ত মোট (গ্রস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩৪ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ২৯.৬৫ বিলিয়ন ডলার।
সব মিলিয়ে ঋণসীমা বৃদ্ধি, ডলার ক্রয় কার্যক্রম এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের ঊর্ধ্বগতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
What's Your Reaction?