এই কাপ আর্জেন্টিনায় ফিরিয়ে আনতে সবকিছু উজাড় করে দেব: নিকো পাস

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের মিডফিল্ডার নিকোলাস পাস। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পরাজয়ের কষ্ট থাকলেও আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি পরার গর্বের কথা জানিয়েছেন টেনেরিফে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার। ফাইনালের পর স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি। সেই নীরবতা ভেঙে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আবেগ প্রকাশ করেন ইতালিয়ান ক্লাব কোমোর এই মিডফিল্ডার। রিয়াল মাদ্রিদের যুব একাডেমি থেকে উঠে আসা পাস সতীর্থ ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে দলের একটি ছবি পোস্ট করেন। নিজের জন্মভূমি স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলতে নামা নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই—নিজের পোস্টে সেটিই স্পষ্ট করেছেন ২১ বছর বয়সী এই ফুটবলার। পাস লিখেছেন, ‘আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গর্বিত আমি—এই দেশকে, এই জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে। এমন একদল অসাধারণ মানুষের অংশ হতে পেরে গর্বিত, যারা এই জার্সির রঙের জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত এবং সব সময় নিজেদের হৃদয় ও আত্মা উজাড় করে দেয়। আমি শুধু ধন্যবাদ বলতে চাই।’ ২১ বছর বয়সী নিকোলাস পাস বিশ্বকাপ

এই কাপ আর্জেন্টিনায় ফিরিয়ে আনতে সবকিছু উজাড় করে দেব: নিকো পাস

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের মিডফিল্ডার নিকোলাস পাস। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পরাজয়ের কষ্ট থাকলেও আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি পরার গর্বের কথা জানিয়েছেন টেনেরিফে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার।

ফাইনালের পর স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি। সেই নীরবতা ভেঙে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আবেগ প্রকাশ করেন ইতালিয়ান ক্লাব কোমোর এই মিডফিল্ডার। রিয়াল মাদ্রিদের যুব একাডেমি থেকে উঠে আসা পাস সতীর্থ ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে দলের একটি ছবি পোস্ট করেন।

নিজের জন্মভূমি স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলতে নামা নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই—নিজের পোস্টে সেটিই স্পষ্ট করেছেন ২১ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

পাস লিখেছেন, ‘আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গর্বিত আমি—এই দেশকে, এই জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে। এমন একদল অসাধারণ মানুষের অংশ হতে পেরে গর্বিত, যারা এই জার্সির রঙের জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত এবং সব সময় নিজেদের হৃদয় ও আত্মা উজাড় করে দেয়। আমি শুধু ধন্যবাদ বলতে চাই।’

২১ বছর বয়সী নিকোলাস পাস বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এমন এক নজির গড়েছেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। জন্মভূমির বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা প্রথম ফুটবলার হয়েছেন তিনি।

ইউরোপে বেড়ে উঠলেও আর্জেন্টিনার সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে পারিবারিক সূত্রে। তার বাবা পাবলো পাস ছিলেন আর্জেন্টিনার সাবেক ডিফেন্ডার, যিনি ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে জাতীয় দলের সদস্য ছিলেন।

নিজের আর্জেন্টাইন পরিচয় কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে এর আগে পাস বলেছিলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার বাবা আমার মধ্যে পুরো দেশের মতো সেই আবেগ তৈরি করেছেন। তিনি আমার নাম লেখা জার্সি কিনে দিতেন এবং সবসময় একটু দূর থেকে আমাকে উৎসাহ দিতেন।’

২০২৬ বিশ্বকাপে আলজেরিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন পাস।

নিজের পোস্টের শেষ দিকে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব দেখিয়ে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাস। একই সঙ্গে রানার্সআপ হওয়ার হতাশা কাটিয়ে পরবর্তী বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

পাস লিখেছেন, ‘স্পেন এবং সব স্প্যানিশ মানুষকে অভিনন্দন। ভালো সময় কিংবা খারাপ সময়—সবসময় আর্জেন্টিনা দীর্ঘজীবী হোক!’ এরপর তিনি প্রতিজ্ঞা করে বলেন, ‘এই কাপ আবার আর্জেন্টিনায় ফিরিয়ে আনতে আমার যা কিছু আছে, তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করব।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow