একটাও বেঁচে ফিরবে না, ইরান সেনাপ্রধানের কড়া বার্তা

ইরান সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি জানিয়েছেন, যদি কোনো শত্রু দেশ ইরানের বিরুদ্ধে স্থলাভিযান চালায়, তাহলে একটিও আগ্রাসী বেঁচে যাবে না। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তুতি ও দৃঢ়তার কথা তুলে ধরে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। খবর - তাসনিম নিউজ। বৃহস্পতিবার অনলাইন মাধ্যমে সেনা সদর দফতরের একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার থেকে দেশব্যাপী সেনাবাহিনীর স্থল, বিমান প্রতিরক্ষা, বিমান ও নৌ বাহিনীর কমান্ডারদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মেজর জেনারেল হাতামি বলেন, ইরান সেনাবাহিনী প্রতিটি আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি কমান্ডারদের নির্দেশ দেন শত্রুর গতিবিধি ও কর্মকাণ্ড সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে, তা মুহূর্তে মুহূর্তে বিশ্লেষণ করতে এবং উপযুক্ত সময়ে প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করতে। হাতামি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, “যদি শত্রু স্থলাভিযান চালায়, একটিও ব্যক্তি বেঁচে যাবে না,” যা আগ্রাসীদের প্রতি ‘নো কোয়ার্টার’ অবস্থান প্রতিফলিত করে। সেনাপ্রধান ইরানের কৌশলগত লক্ষ্যও স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, দেশের ওপর যুদ্ধের ছায়া দূর করতে হবে এবং সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অঞ্চল অনিরাপ

একটাও বেঁচে ফিরবে না, ইরান সেনাপ্রধানের কড়া বার্তা

ইরান সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি জানিয়েছেন, যদি কোনো শত্রু দেশ ইরানের বিরুদ্ধে স্থলাভিযান চালায়, তাহলে একটিও আগ্রাসী বেঁচে যাবে না। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তুতি ও দৃঢ়তার কথা তুলে ধরে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। খবর - তাসনিম নিউজ।

বৃহস্পতিবার অনলাইন মাধ্যমে সেনা সদর দফতরের একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার থেকে দেশব্যাপী সেনাবাহিনীর স্থল, বিমান প্রতিরক্ষা, বিমান ও নৌ বাহিনীর কমান্ডারদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মেজর জেনারেল হাতামি বলেন, ইরান সেনাবাহিনী প্রতিটি আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

তিনি কমান্ডারদের নির্দেশ দেন শত্রুর গতিবিধি ও কর্মকাণ্ড সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে, তা মুহূর্তে মুহূর্তে বিশ্লেষণ করতে এবং উপযুক্ত সময়ে প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করতে। হাতামি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, “যদি শত্রু স্থলাভিযান চালায়, একটিও ব্যক্তি বেঁচে যাবে না,” যা আগ্রাসীদের প্রতি ‘নো কোয়ার্টার’ অবস্থান প্রতিফলিত করে।

সেনাপ্রধান ইরানের কৌশলগত লক্ষ্যও স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, দেশের ওপর যুদ্ধের ছায়া দূর করতে হবে এবং সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অঞ্চল অনিরাপদ থাকা যাবে না, এবং শত্রুরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবে না।

এছাড়া তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইরানের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ‘অবিবেচক’ মন্তব্যকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। তার মতে, এসব বক্তব্যই প্রমাণ করছে মার্কিন ও ইসরায়েলি শত্রুদের প্রকৃত উদ্দেশ্য ইরানের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করা।

ইরানের সেনা প্রধান আরও বলেন, জনগণের সংকল্প ও সচেতনতার পরিপ্রেক্ষিতে “সবই ইরানের জন্য” নীতি অনুসরণ করে সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে এবং সেনাবাহিনী পূর্ণ শক্তিতে আগ্রাসীদের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

সাম্প্রতিক হামলার পটভূমিতে, মার্কিন ও ইসরায়েলি শাসনকাঠামো ইরানের ওপর এক বৃহৎ, অনুপ্রাণিত সামরিক অভিযান চালিয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও নাগরিক নিহত হওয়ার পর এই হামলা শুরু হয়। হামলায় সামরিক ও নাগরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা, উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি এবং মানবিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আমেরিকা ও ইসরায়েলের অবস্থানসমূহে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা অভিযান চালিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow