একাধিক আক্রমণের পরও মরক্কো-নেদারল্যান্ডসের গোলহীন প্রথমার্ধ

বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এর ম্যাচের প্রথমার্ধে নেদারল্যান্ডস-মরক্কোর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। একাধিক আক্রমণ করেও সবগুলোই শেষ হয়েছে গোল ছাড়াই। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মেক্সিকোর মন্টেরে স্টেডিয়ামে দুই দলই বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছে। তবে লক্ষ্যে রাখার মতো আক্রমণ না হওয়ায় গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। ম্যাচের শুরুতেই তৃতীয় মিনিটে কর্নার পায় নেদারল্যান্ডস। ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা কর্নারটি বিপজ্জনক হয়ে উঠলেও দারুণভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় মরক্কোর রক্ষণভাগ। দ্রুত বল ক্লিয়ার করে তারা বড় ধরনের বিপদ এড়িয়ে যায়। ৮ মিনিটে ডাচদের অর্ধে ইয়ান পল ফান হেকে ও ইসমাইল সাইবারি তর্কে জড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি শান্ত করতে মাঝখানে হস্তক্ষেপ করেন রেফারি। দুজনকে আলাদা করে কড়া ভাষায় সতর্কও করেন তিনি। তবে কাউকে কার্ড দেখাননি। ১৬ মিনিটে চমৎকার এক লফটেড পাসে রায়ান গ্রাভেনবার্খ বল বাড়িয়ে দেন ক্রিসেন্সিও সামারভিলের দিকে। তিনি বক্সে ঢুকে বল ঠেলে দেন মাঝখানে, যেখানে অপেক্ষায় ছিলেন ব্রায়ান ব্রব্বে। তবে ঠিক সময়ে হস্তক্ষেপ করে ইসা দিয়প বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন মরক্কোকে। ২০ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আশরাফ হাকিম

একাধিক আক্রমণের পরও মরক্কো-নেদারল্যান্ডসের গোলহীন প্রথমার্ধ

বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এর ম্যাচের প্রথমার্ধে নেদারল্যান্ডস-মরক্কোর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। একাধিক আক্রমণ করেও সবগুলোই শেষ হয়েছে গোল ছাড়াই।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মেক্সিকোর মন্টেরে স্টেডিয়ামে দুই দলই বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছে। তবে লক্ষ্যে রাখার মতো আক্রমণ না হওয়ায় গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।

ম্যাচের শুরুতেই তৃতীয় মিনিটে কর্নার পায় নেদারল্যান্ডস। ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা কর্নারটি বিপজ্জনক হয়ে উঠলেও দারুণভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় মরক্কোর রক্ষণভাগ। দ্রুত বল ক্লিয়ার করে তারা বড় ধরনের বিপদ এড়িয়ে যায়।

৮ মিনিটে ডাচদের অর্ধে ইয়ান পল ফান হেকে ও ইসমাইল সাইবারি তর্কে জড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি শান্ত করতে মাঝখানে হস্তক্ষেপ করেন রেফারি। দুজনকে আলাদা করে কড়া ভাষায় সতর্কও করেন তিনি। তবে কাউকে কার্ড দেখাননি।

১৬ মিনিটে চমৎকার এক লফটেড পাসে রায়ান গ্রাভেনবার্খ বল বাড়িয়ে দেন ক্রিসেন্সিও সামারভিলের দিকে। তিনি বক্সে ঢুকে বল ঠেলে দেন মাঝখানে, যেখানে অপেক্ষায় ছিলেন ব্রায়ান ব্রব্বে। তবে ঠিক সময়ে হস্তক্ষেপ করে ইসা দিয়প বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন মরক্কোকে।

২০ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আশরাফ হাকিমির দারুণ এক ক্রসে নিকট পোস্টে হেড করেন নীল এল আইনাউই। বল জালের দিকেই যাচ্ছিল, কিন্তু অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত সেভ করেন ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন। এরপরও আক্রমণ থামায়নি মরক্কো। বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে জোরালো শট নেন অধিনায়ক হাকিমি। তবে এবারও নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন ভারব্রুগেন। ডান হাত বাড়িয়ে বল কর্নারের বিনিময়ে বার-এর ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে রক্ষা করেন তিনি।

৩৪ মিনিটে ভার্জিল ফন ডাইক ডান প্রান্তে ৩৪ মিনিটে বল বাড়িয়ে দেন ডেনজেল ডামফ্রিসের কাছে। তিনি প্রথম ছোঁয়াতেই বক্সে থাকা ক্রিসেন্সিও সামারভিলের উদ্দেশে বল বাড়ান। সামারভিলের সামনে শট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি অতিরিক্ত একটি টাচ নেন। সেই সুযোগে মরক্কোর ডিফেন্ডাররা তাকে ঘিরে ফেলেন এবং বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠে রায়ান গ্রাভেনবার্খ বল হারাতেই দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে মরক্কো। বল গিয়ে পৌঁছায় আজেদিন উনাহির কাছে। তিনি বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট নিলেও সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে গ্যালারিতে গিয়ে পড়ে।

এরপর যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক ক্রস ভাসিয়ে দেন আশরাফ হাকিমি। ছয় গজের বক্সে বল একবার বাউন্স করার পর দূরের পোস্টে ছুটে আসা ইসমাইল সাইবারির নাগাল অল্পের জন্য এড়িয়ে যায়। বলটি পায়ে লাগাতে পারলে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে লিড পেয়ে যেত আফ্রিকার চ্যাম্পিয়নরা।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow