একের পর এক বিতর্কে ‘টালমাটাল’ মোস্তাফিজের দল

মাঠে বল টেম্পারিং নিয়ে ফখর জামানের ওপর শাস্তির খড়্গ আর মাঠের বাইরে নিরাপত্তা বিধি ভাঙার গুরুতর অভিযোগ—সব মিলিয়ে রীতিমতো লণ্ডভণ্ড দশা লাহোর কালান্দার্সের। করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে চারজন অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথিকে টিম হোটেলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এখন বিদ্ধ হচ্ছেন অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং সিকান্দার রাজা। ঘটনা নিয়ে রাজা অবশ্য তার সাফাই দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পাঞ্জাব পুলিশের একটি চিঠিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, গত রোববার করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে জিম্বাবুয়ের তারকা ক্রিকেটার সিকান্দার রাজার চারজন পরিচিত ব্যক্তিকে তার রুমে পাঠানোর জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। পিসিবির নিরাপত্তা ও দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। এর কিছুক্ষণ পর ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকও একই অনুরোধ করলে নিরাপত্তার স্বার্থে আবারও তা নাকচ করে দেওয়া হয়। পুলিশের দাবি, অনুমতি না মেলা সত্ত্বেও শাহীন আফ্রিদি ও সিকান্দার রাজা প্রোটোকল ভেঙে এবং নিরাপত্তা কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে ওই চারজনকে জোর করে ভেতরে নিয়ে যান। তারা রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত সেখা

একের পর এক বিতর্কে ‘টালমাটাল’ মোস্তাফিজের দল
মাঠে বল টেম্পারিং নিয়ে ফখর জামানের ওপর শাস্তির খড়্গ আর মাঠের বাইরে নিরাপত্তা বিধি ভাঙার গুরুতর অভিযোগ—সব মিলিয়ে রীতিমতো লণ্ডভণ্ড দশা লাহোর কালান্দার্সের। করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে চারজন অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথিকে টিম হোটেলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এখন বিদ্ধ হচ্ছেন অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং সিকান্দার রাজা। ঘটনা নিয়ে রাজা অবশ্য তার সাফাই দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পাঞ্জাব পুলিশের একটি চিঠিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, গত রোববার করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে জিম্বাবুয়ের তারকা ক্রিকেটার সিকান্দার রাজার চারজন পরিচিত ব্যক্তিকে তার রুমে পাঠানোর জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। পিসিবির নিরাপত্তা ও দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। এর কিছুক্ষণ পর ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকও একই অনুরোধ করলে নিরাপত্তার স্বার্থে আবারও তা নাকচ করে দেওয়া হয়। পুলিশের দাবি, অনুমতি না মেলা সত্ত্বেও শাহীন আফ্রিদি ও সিকান্দার রাজা প্রোটোকল ভেঙে এবং নিরাপত্তা কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে ওই চারজনকে জোর করে ভেতরে নিয়ে যান। তারা রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন বলে জানা গেছে। ম্যাচ শেষে এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন সিকান্দার রাজা। তিনি বলেন, ‘শাহীন কাউকে বাধ্য করেনি। বরং এটি আমার অনুরোধ ছিল, কারণ অতিথিরা আমার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু। গত চার বছর ধরে আমার পরিবার বা আত্মীয়দের সাথে দেখা করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা ছিল না। যদি এসওপি পরিবর্তন হয়ে থাকে, তবে আমি বা শাহীন কেউই সে সম্পর্কে জানতাম না।’ লাহোর কালান্দার্সের মিডিয়া হেড উমর ফারুক জানিয়েছেন, তারা এই ঘটনা সম্পর্কে অবগত এবং পিসিবি ও পিএসএল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। অন্যদিকে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ফখর জামানের বিরুদ্ধে ‘লেভেল-৩’ পর্যায়ের অপরাধের শুনানি হতে যাচ্ছে। নিজেকে নির্দেষ প্রমাণ করতে না পারলে ফখর নিষিদ্ধও হতে পারেন। একের পর এক বিতর্ক দলটির মনোবল ভেঙে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow