‘এখন থেকে তোমরাই আমার ভাই’, পা হারানো মানুষের পাশে গাজীপুরের ডিসি

পঙ্গুত্বের অভিশাপ যাদের জীবনের গতি থামিয়ে দিয়েছিল, তাদের জীবনে এক পশলা বৃষ্টির মতো আনন্দ হয়ে এলেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে টঙ্গীর জাতীয় শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে বসেছিল এক ব্যতিক্রমী ‘হৃদয়ের মিলনমেলা’। সেখানে ১৯ জন মানুষ ফিরে পান হারানো পায়ের বিকল্প, আধুনিক কৃত্রিম পা, আর ৩৪ জন পান নতুন জীবনের দিশা, সম্মানজনক চাকরির নিয়োগপত্র। অনুষ্ঠানে ১৯ জন নারী ও পুরুষের শরীরে অত্যাধুনিক কৃত্রিম পা সংযোজন করা হয়। পুরো পরিবেশ তখন ছিল নিস্তব্ধ ও আবেগঘন। নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া কেবল একজন প্রশাসক হিসেবেই নয়, বরং একজন বড় ভাইয়ের মতো প্রতিটি মানুষের পাশে দাঁড়ান। যারা কোনোদিন আবার উঠে দাঁড়াতে পারবেন, এমন আশাও করেননি, তাদের হাত ধরে সাহস জোগান তিনি। আবেগঘন সেই মুহূর্তে পা হারানো প্রতিবন্ধীদের তিনি পরম মমতায় বুকে টেনে নেন। তার এই আন্তরিকতায় উপস্থিত অনেকেই অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ সচিব ড. মো. আবু ইউসুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। এদিন ৬

‘এখন থেকে তোমরাই আমার ভাই’, পা হারানো মানুষের পাশে গাজীপুরের ডিসি

পঙ্গুত্বের অভিশাপ যাদের জীবনের গতি থামিয়ে দিয়েছিল, তাদের জীবনে এক পশলা বৃষ্টির মতো আনন্দ হয়ে এলেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে টঙ্গীর জাতীয় শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে বসেছিল এক ব্যতিক্রমী ‘হৃদয়ের মিলনমেলা’। সেখানে ১৯ জন মানুষ ফিরে পান হারানো পায়ের বিকল্প, আধুনিক কৃত্রিম পা, আর ৩৪ জন পান নতুন জীবনের দিশা, সম্মানজনক চাকরির নিয়োগপত্র।

অনুষ্ঠানে ১৯ জন নারী ও পুরুষের শরীরে অত্যাধুনিক কৃত্রিম পা সংযোজন করা হয়। পুরো পরিবেশ তখন ছিল নিস্তব্ধ ও আবেগঘন। নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া কেবল একজন প্রশাসক হিসেবেই নয়, বরং একজন বড় ভাইয়ের মতো প্রতিটি মানুষের পাশে দাঁড়ান। যারা কোনোদিন আবার উঠে দাঁড়াতে পারবেন, এমন আশাও করেননি, তাদের হাত ধরে সাহস জোগান তিনি।

আবেগঘন সেই মুহূর্তে পা হারানো প্রতিবন্ধীদের তিনি পরম মমতায় বুকে টেনে নেন। তার এই আন্তরিকতায় উপস্থিত অনেকেই অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ সচিব ড. মো. আবু ইউসুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। এদিন ৬ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর মধ্যে সাদাছড়ি বিতরণ করা হয় এবং ৩৪ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রতিবন্ধীর হাতে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক তাদের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বসেন। তিনি প্রতিটি টেবিলে গিয়ে তাদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার কথা শোনেন। কম্পিউটার প্রশিক্ষণরতদের তিনি আশ্বাস দেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের প্রত্যেকের হাতে বিনামূল্যে কম্পিউটার সামগ্রী তুলে দেওয়া হবে।

পঙ্গুত্ব জয় করা এই মানুষগুলো এখন আর সমাজের বোঝা নন, বরং নিয়োগপত্র হাতে তারা একেকজন আত্মবিশ্বাসী যোদ্ধা, নতুন জীবনের প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow