‘এটা কেবল শুরু...এখনো অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি’
ভারতে নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। একই সঙ্গে বিজেপি সরকার সিজেপি’র অন্যান্য দাবিও মেনে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আন্দোলনেই বড় সফলতা পেয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)। আন্দোলনের এমন সফল সমাপ্তির পর নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের জীবনে। তবে, অভিজিৎ তার সমর্থকদের জন্য দিয়েছেন ভিন্ন এক বার্তা। অভিজিৎ বলেন, এখন আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি। নিজের শোবার ঘরে ঘুম থেকে উঠে সারাদিন কী হবে বা এরপর কী করতে হবে, তা নিয়ে আর ভাবতে হচ্ছে না। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় দিপককে অনেকটাই স্বস্তিতে দেখা যায়। তিনি বলেন, গত ৩৭ দিনের আন্দোলন ‘অত্যন্ত কঠিন’ ছিল। তবে, তিনি সমর্থকদের মনে করিয়ে দেন, ‘এটা কেবল শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির এখনও অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’ গত মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ককরোচ জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন অভিজিৎ দিপক। পরে সেটি ধীরে ধীরে দেশজুড়ে জেন-জি তরুণদের নেতৃত্বে একটি বড় আন্দোলনে পরিণত হয়। স
ভারতে নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। একই সঙ্গে বিজেপি সরকার সিজেপি’র অন্যান্য দাবিও মেনে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আন্দোলনেই বড় সফলতা পেয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)। আন্দোলনের এমন সফল সমাপ্তির পর নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের জীবনে। তবে, অভিজিৎ তার সমর্থকদের জন্য দিয়েছেন ভিন্ন এক বার্তা।
অভিজিৎ বলেন, এখন আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি। নিজের শোবার ঘরে ঘুম থেকে উঠে সারাদিন কী হবে বা এরপর কী করতে হবে, তা নিয়ে আর ভাবতে হচ্ছে না।
রোববার (২৬ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় দিপককে অনেকটাই স্বস্তিতে দেখা যায়। তিনি বলেন, গত ৩৭ দিনের আন্দোলন ‘অত্যন্ত কঠিন’ ছিল।
তবে, তিনি সমর্থকদের মনে করিয়ে দেন, ‘এটা কেবল শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির এখনও অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’
গত মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ককরোচ জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন অভিজিৎ দিপক। পরে সেটি ধীরে ধীরে দেশজুড়ে জেন-জি তরুণদের নেতৃত্বে একটি বড় আন্দোলনে পরিণত হয়।
সিজেপি’র সমর্থকেরা নিজেদের ‘ককরোচ’ নামে পরিচয় দিতেন। আন্দোলনের সময় হাজারো তরুণ দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান। তাদের অভিযোগ ছিল, নিট প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনার দায় মন্ত্রীর ওপর বর্তায়।
অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন, সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেয় এবং সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে।
ভিডিও বার্তায় দিপক বলেন, এই সাফল্য সহজে আসেনি। অনেকেই আন্দোলন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও সমর্থকেরা তাদের পাশে ছিলেন। টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে জ্বরে ভোগার কারণে যন্তর মন্তরে উপস্থিত সবার প্রতি ব্যক্তিগতভাবে কৃতজ্ঞতা জানাতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, যারা ৩৭ দিন ধরে যন্তর মন্তরে ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে আমি ধন্যবাদ জানাই। আপনারা দেশের জন্য যা করেছেন, আমি সত্যিই তার প্রশংসা করি।
সমালোচকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান দিপকে। তার ভাষায়, গঠনমূলক সমালোচনা ও কঠিন প্রশ্নই তাদের আরও ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করেছে এবং আন্দোলনের সফল সমাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
কেএম
What's Your Reaction?